Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০২ নভেম্বর, ২০২৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০২ নভেম্বর, ২০২৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> জীবনচরচা

মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করার ৩টি সহজ উপায়

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ১৮
মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করার ৩টি সহজ উপায়
হরেক রকমের মিষ্টি। ছবি: কোলাজ

মিষ্টি খেতে যারা পছন্দ করেন তাদের এটি খাওয়ার জন্য কোনো উপলক্ষের প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার প্রতি আকর্ষণ, যাকে সুইট ক্রেভিং বলে তা—নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

Advertisement

এসব খাবার সাময়িকভাবে তৃপ্তি দিলেও অতিরিক্ত চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। নিয়মিত বেশি চিনি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি টাইপ–২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

সুস্থ থাকার জন্য সুইট ক্রেভিং নিয়ন্ত্রণ করা বেশ জরুরি। মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা মেটাতে এবং একই সাথে আপনার শরীরকে সতেজ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে ৩টি সহজ উপায় বেশ কার্যকর হতে পারে।

প্রতিরোধ

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শুরুতেই তা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা। তবে এটি বলা যত সহজ করা ততটা সহজ নয়।

সারাদিন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে শরীরকে পরিতৃপ্ত রাখলে মিষ্টি বা ফাস্টফুড খাওয়ার প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা কমে যেতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাবারে প্রোটিন, হোলগ্রেইন ও শাকসবজি রাখা উচিত।

খাবারের মাঝখানে ক্ষুধা লাগলে মিষ্টির বদলে স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন। যেমন– ভাজা ছোলা, বাদাম ও বীজ এবং টক দই ও ফল।

এ ছাড়া পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি। কারণ অনেক সময় আমরা তৃষ্ণাকে ক্ষুধা ভেবে ভুল করি। তাই কিছু খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর ক্ষুধা লাগলে পুষ্টিকর খাবার খান।

বিকল্প খাবার বেছে নেওয়া

সব মিষ্টি খাবার শরীরের জন্য সমান ক্ষতিকর নয়। তবে পরিশোধিত চিনি দিয়ে তৈরি ক্যান্ডি, কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো। এর মানে এই নয় যে মিষ্টি স্বাদের কোনো খাবারই খাওয়া যাবে না। মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছা করলে অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে স্বাস্থ্যকর কিছু বেছে নিতে পারেন।

বেরি

স্ট্রবেরি ও কলার মতো বেরি ফল প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। স্ট্রবেরিতে চিনির পরিমাণ তুলনামূলক কম। কলায় একটু বেশি চিনি থাকলেও ডায়াবেটিস না থাকলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। এগুলোতে ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করলে এক স্ট্রবেরি বা মাঝারি আকারের কলা খেতে পারেন।

ডার্ক চকলেট

চকলেট খাওয়ার ইচ্ছা হলে মিল্ক চকলেটের বদলে এক বা দুই টুকরো ডার্ক চকলেট খেতে পারেন। ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ম্যাগনেসিয়াম পেতে ৭০ শতাংশের বেশি কোকোযুক্ত ডার্ক চকলেট বেছে নিন। তবে এতে চিনি ও চর্বিও থাকতে পারে। তাই বেশি না খেয়ে এক বা দুই টুকরোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই ভালো।

এই খাবারগুলো মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমাতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
এই খাবারগুলো মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমাতে পারে। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

খেজুর

শরীর সুস্থ রাখতে সবারই প্রতিদিন অন্তত দুইটি খেজুর খাওয়া উচিত। এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়। অন্যদিকে এর ফাইবার শরীরে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না। ফলে কৃত্রিম চিনির প্রতি আসক্তি ও মিষ্টি খাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা কমে।

দই

চিনি ছাড়া দই স্বাস্থ্যকর মিষ্টি খাবারের ভালো বিকল্প। এতে প্রোবায়োটিক, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। ভিন্ন স্বাদ আনতে চাইলে এই দইয়ের সঙ্গে এক টেবিল চামচ চিনি ছাড়া কোকো পাউডার মিশিয়ে নিতে পারেন। এর সঙ্গে ফল, চিয়া বীজ বা বাদাম যোগ করা যেতে পারে। আরও মিষ্টি স্বাদ চাইলে অল্প মধু ও যোগ করতে পারেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি এবং এতে ফাইবার, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ রয়েছে। তাই এটি মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমাতে সাহায্য করতে পারে। স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়ার জন্য, একটি মিষ্টি আলু বেক করে তার ওপর সামান্য সূর্যমুখী তেল, দারুচিনি ও জায়ফল ছড়িয়ে খেতে পারেন।

নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া

মাঝে মাঝে পছন্দের মিষ্টি খাবার খাওয়া যেতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেন তা পরিমাণে বেশি না হয়। নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু পরামর্শ মেনে চলা যেতে পারে—

অল্প পরিমাণে খাওয়া

বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণ খান। যেমন, রেস্টুরেন্টে গেলে বন্ধুর সঙ্গে ডেজার্ট ভাগ করে খেতে পারেন। এমনকি শুধু এক কামড় খেয়েও স্বাদ নিতে পারেন। যত কম পরিমাণে খাবেন, তত কম চিনি গ্রহণ করা হবে।

বাড়িতে মিষ্টি খাবার না রাখা

হাতের কাছে মিষ্টি বা পছন্দের খাবার থাকলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই বাড়িতে এসব খাবার জমা না রাখাই ভালো। যেমন– ক্যান্ডি, কুকিজ বা কোমল পানীয় খেতে চাইলে তা খাওয়ার জন্য যদি বাইরে যেতে হয় তাহলে অলসতা কাজ করবে। ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে।

ধীরে ধীরে খাওয়ার বিরতি বাড়ানো

আপনি যদি প্রতিদিন রাতে পছন্দের কোনো মিষ্টি খাবার খান, তাহলে সেই অভ্যাস কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন, প্রথমে একদিন পরপর খাওয়ার অভ্যাস করুন। এরপর দুই রাত পরপর এবং ধীরে ধীরে সপ্তাহে একবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এভাবে ধীরে ধীরে বিরতি বাড়াতে থাকুন, যতদিন না আপনি কম পরিমাণে এসব খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারছেন।

বিষয়: ফলডায়াবেটিসখাবারজীবনধারাহৃদরোগখেজুরের উপকারিতাসুস্থ জীবনস্বাস্থ্য টিপসলাইফস্টাইলখেজুরস্বাস্থ্যখাবারদাবার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ভর্তুকি কমিয়ে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে চায় টিসিবি

  • ২

    ৬ ও ৭ নভেম্বর রাজধানীতে পঞ্চম আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা

  • ৩

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ৪

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৫

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

সম্পর্কিত
  • ঘুম ও বিষণ্নতা জড়িয়ে আছে আষ্টেপৃষ্ঠে

    ঘুম ও বিষণ্নতা জড়িয়ে আছে আষ্টেপৃষ্ঠে

    আমাদের ২৪ ঘণ্টার সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ছন্দ মূলত আলোর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আমাদের চোখ মস্তিষ্কের প্রধান ঘড়িতে সংকেত পাঠায়, যা শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া—যেমন জেগে থাকা, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাকের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

  • মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়

    মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়

    বয়স বাড়লে মানসিক ক্ষমতা কমে যাওয়া খুব সাধারণ একটি বিষয়, যা বার্ধক্যের অন্যতম একটি ভীতিজনক দিক। তবে বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি কমে যাওয়া কিন্তু একেবারেই অনিবার্য নয়।

  • সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

  • সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।