খাবার
এফওপিএল বাস্তবায়নের দাবিতে প্রচারাভিযানে নামছেন তরুণরা
প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বি সম্পর্কে ভোক্তাদের সহজে বোঝার উপযোগী তথ্য নিশ্চিত করতে এবং কার্যকর ফ্রন্ট অফ প্যাক লেবেলিং (এফওপিএল) প্রবিধান বাস্তবায়নের পক্ষে জনদাবি জোরদার করতে মাসব্যাপী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচারাভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছেন তরুণরা।

হাজারীবাগের হাজি নুরুর তেহারি খেতে এত ভিড় কেন?
৪০ বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকার হাজারীবাগে তেহারি বিক্রি করছে হাজী নুরু বিরিয়ানি। এই তেহারি খেতে প্রতিদিন প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে এখানে। দৈনিক ২০০ কেজি রান্না হয় হাজী নুরু বিরিয়ানিতে। কথা আছে, ক্যামেরা দেখলে খাবার বেশি দেয় তারা। আসলে কি তাই? খাওনদাওনের এবারের পর্বে এই দোকানের তেহারির গল্প।

খাবারের প্যাকেটে দ্রুত সতর্কতামূলক লেবেল চালুর দাবি
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্য প্যাকেটের সামনে সহজ, স্পষ্ট ও বাধ্যতামূলক সতর্কতামূলক লেবেল চালুর দাবি জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়ালি ‘অতি-প্রক্রিয়াজাত খাদ্য প্যাকেটের সামনে সতর্কতামূলক লেবেল: অগ্রগতি

নাসির বিরিয়ানি গরুর চাপ: ঘড়ি ধরে যাবেন, টপাটপ খাবেন
পুরান ঢাকার নাজিরাবাজারের গলিতে প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো এক আন্ডাররেটেড খাবারের দোকান নাসির বিরিয়ানি। এই দোকানের গল্পটা একটু অন্যরকম। এখানে শুধু ইচ্ছা করলেই গিয়ে পছন্দের খাবার পাওয়া যায় না। ঘড়ির কাঁটা ধরে যেতে হয়। সময় একটু এদিক-ওদিক হলেই মিস হয়ে যেতে পারে কাঙ্ক্ষিত খাবার। তার ওপর সপ্তাহের সাত দিনও এক

পুরান ঢাকার তাজ বিরিয়ানি কি আসলেই গ্লাসি বানায়?
খাওনদাওন-এর এবারের পর্বে আমরা গিয়েছি লালবাগের নবাবগঞ্জ রোডের তাজ বিরিয়ানি হাউজে, যেখানে প্রায় ৪০ বছর ধরে খাসির গ্লাসি পরিবেশন করা হচ্ছে। সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয়—এখানে এই পদ ২৪ ঘণ্টাই পাওয়া যায় বলে জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। গ্লাসির স্বাদ, রান্নার ধরন, পুরান ঢাকার খাবারের ঐতিহ্য এবং এই পদটি এখন কতটা জনপ্রিয়—

উত্তরার পাড়ার দোকানের এই পিজ্জা কতটা ভালো?
উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের ছোট্ট একটি দোকান—‘সেক্টর ফাইভ’। পাঁচ বছর ধরে নীরবে স্থানীয়দের খাবার পরিবেশন করে আসছে দোকানটি। নেই কোনো ফেসবুক পেজ, নেই তেমন প্রচারণা; তবু পিজ্জা, পাস্তা, শিঙাড়া, ডালপুরিসহ নানা খাবার নিয়ে চলছে তাদের পথচলা। খাওনদাওনের এবারের পর্বে আমরা হাজির হয়েছি এই প্রচারের বাইরের খাবার

আধুনিক প্রযুক্তি কি বদলে দিচ্ছে বাকরখানির স্বাদ?
মাটির তন্দুরের কড়কড়ে তাপ, পোড়ানো কাঠ ও কয়লার গন্ধ এবং অভিজ্ঞ কারিগরের হাত। দীর্ঘদিন ধরে পুরান ঢাকার অন্যতম পরিচিত খাবারের ঐতিহ্য ‘বাকরখানি’ তৈরির সঙ্গে এসবই জড়িয়ে আছে। তবে শত বছরের পুরোনো এই রুটি এখন ধীরে ধীরে আরও আধুনিক পদ্ধতিতে তৈরি হচ্ছে। ঢাকার বিভিন্ন বেকারিতে মাটির ঐতিহ্যবাহী তন্দুরের জায়গা

পুরান ঢাকার মানিকের খাসির তেহারি কি সেরা?
চিনিগুঁড়া চালের কাচ্চি, খাসির তেহারি আর মোরগ-পোলাও—সাদামাটা পরিবেশের মানিক বিরিয়ানির খাবারের স্বাদ টেনে আনে পুরান ঢাকার অনেক ভোজনরসিককে। ভাইরাল কোনো খাবারের দোকান নয়, প্রচারের আলো থেকেও দূরে। তবু দীর্ঘদিন ধরে টিকে আছে নিজস্ব স্বাদ আর স্থানীয় ক্রেতাদের ভালোবাসায়।

বিরিয়ানিতে আলু এল কীভাবে?
বিরিয়ানিতে নাকি আলু প্রচলন শুরু করেছিলেন লখনৌয়ের শেষ নবার ওয়াজিদ আলি শাহ—এমনটা প্রায়ই শোনা যায়। লখনৌ থেকে তাকে যখন কলকাতায় নির্বাসিত করা হয় তখনই নাকি তার নবাবি হেঁশেলে বিরিয়ানিতে আলুর প্রচলন হয়। অনেকে বলেন, নবাব সাহেবের কোষাগারে টান পড়ছিল বলে বিরিয়ানিতে আলু ঢুকেছিল।

পেইড ফুডভ্লগার তো টাকা পাচ্ছে, অডিয়েন্সকে কী দিচ্ছে?
মিসির আলি, আপনি কী খাচ্ছেন নামে ফেসবুকে একটি ব্লগ পেজ চালান এস এম নাঈম। চরচার খাওনদাওন পডকাস্টে ফুড হিস্ট্রি, পেইড ভ্লগ, বাংলা ফুড ভ্লগ, বিরিয়ানি, কালাভুনা, রেজালাসহ নানা মোগলাই খাবার নিয়ে অকপটে কথা বলেছেন কাজী সাজিদুল হকের সাথে।

মতিঝিলের ৪০ টাকা দামের এই সমুচা কি সেরা?
মতিঝিলের ব্যস্ততম এলাকায় চিনি শিল্প ভবনের সামনে রাস্তার ওপর বসা ছোট্ট স্ন্যাক্সের দোকান ‘লজিক ফুড’। চিনি শিল্প ভবনে তাদের নিজস্ব রেস্তোরাঁ থাকলেও পথের ধারের এই নাস্তার আয়োজন যেন পথচারী ও চাকরিজীবীদের প্রধান আকর্ষণ।

ঝাল স্বাদের মুক্তা বিরিয়ানির চাপ-পোলাও
ঢাকার খিলগাঁওয়ের ‘মুক্তা বিরিয়ানি’ বহু ভোজনরসিক মানুষের কাছে এক পরিচিত নাম। বিশেষ করে এদের ঝাল স্বাদের চাপ-পোলাও খেতে প্রতিদিন ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসে মানুষ। ৪০ বছর ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসা এই ঐতিহ্যবাহী দোকানে প্রায় ২৫ বছর পর আবার খাওয়া হলো।

নতুন বছরে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে: ববি হাজ্জাজ
আগামী বছরের শুরু থেকেই দেশব্যাপী প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচি চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। রোববার বিকেলে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস

হাজার বছরের পুরনো কাবাব উত্তরায়!
ইতিহাস বলে, হাজার বছর আগের মিনোয়ান সভ্যতার মানুষেরাও বেশ গুছিয়ে শিক কাবাব বানিয়ে খেতেন, যার বড় একটা অংশজুড়ে ছিল বিভিন্ন স্বাদের মাছের শিক কাবাব! সেই সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের স্বাদ আজও ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে সমান জনপ্রিয়।

ঢাকার যেখানে পাওয়া যায় অথেনটিক থাই চা, স্ন্যাকস!
ঢাকার মগবাজারে মিলছে অথেনটিক থাই চা (Thai Tea) এবং নানা ধরনের জনপ্রিয় থাই স্ন্যাকস। গরম ও ঠান্ডা থাই চায়ের পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন ধরনের থাই টোস্ট, ক্রাব স্টিক ফ্রাই (Crab Stick Fry), হালকা নাস্তার আয়োজন। এক মেঘলা বিকেলে রাস্তার পাশের ফুট কোর্টে বসে থাই চায়ের স্বাদ আর গল্প নিয়ে খাওনদাওনের এবারের পর্ব

পুরান ঢাকায় নিরামিষ ভোজন!
কাবাব আর বিরিয়ানির শহর পুরান ঢাকায় কিন্তু দারুণ সব নিরামিষ খাবারেরও মেলবন্ধন ঘটে! তাঁতীবাজার ও শাঁখারীবাজারের গলিতে লুকিয়ে আছে অতুলনীয় সব নিরামিষ পদ। 'খাওনদাওন'-এর আজকের পর্বে আমরা চলে এসেছি তাঁতীবাজারের ‘জগন্নাথ ভোজনালয়ে’।
মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করার ৩টি সহজ উপায়
সব মিষ্টি খাবার শরীরের জন্য সমান ক্ষতিকর নয়। তবে পরিশোধিত চিনি দিয়ে তৈরি ক্যান্ডি, কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো।

দেশের কোথায় খাবারের দাম বেশি, কোথায় কম?
দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও সব অঞ্চলে খাদ্যপণ্যের দাম এক নয়। ডব্লিউএফপির জুন ২০২৬ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চাল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপণ্যের দামে বিভাগভেদে রয়েছে পার্থক্য। পরিবহন ব্যয়, সরবরাহ ব্যবস্থা ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই বৈষম্য আরও প্রকট হয়েছে দুর্গম এলাকাগুলোতে।

একজন বাংলাদেশির মাসে কোন খাবার কতটা প্রয়োজন?
‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ কথাটি প্রচলন থাকলেও প্রতিদিনের খাবারে প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও পুষ্টি নিশ্চিত করা সাধারণ মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডব্লিউএফপির বাংলাদেশ মার্কেট মনিটরের জুন ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন বাংলাদেশির সুষম পুষ্টি নিশ্চিতে প্রতি মাসে ২ হাজার ৮৬৮ টাকা প্রয়োজন।

দেশের কোথায় খাবারের দাম বেশি, কোথায় কম?
দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিইউএফপি)। তবে সেই সঙ্গে অঞ্চল ভেদে দামের পার্থক্যের তথ্যও তুলে ধরেছে বৈশ্বিক সংগঠনটি। গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬ শতাংশ। যা পরের মাস অর্থাৎ, জুনে নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে। কিন্তু এতে পুরো চিত্র নেই। কার



