
জুলাই সনদের ওপর মুলতবি আলোচনার ফলাফল যাই হোক না কেন, সেটি গ্রহণ করা উচিত সকল রাজনৈতিক দলের। বিএনপির অবস্থান যদি জামায়াত-এনসিপির পছন্দ না হয়, সেক্ষেত্রে তারা সংসদে এবং সংসদের বাইরে জনমত গড়ে তুলতে কাজ করতে পারে।

তাইজুল কি চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিল না মূলধারার গণমাধ্যম প্রান্তিক মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঠিকঠাক কাজ করছে না? গণমাধ্যমের কর্মী হিসেবে জানি, আজকাল প্রত্যন্ত অঞ্চলের সমস্যাগুলো নিয়ে নিউজ প্রায় হয় না বললেই চলে।

ইরান যুদ্ধের মোড় যেদিকেই যাক না কেন, এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়বে এবং নজরদারি আরও জোরালো হবে।

মানবপাচারকারীরা প্রায়ই বিপজ্জনক রুট ব্যবহার করে মানুষ পাচার করে থাকে। সমুদ্রপথে বা দুর্গম স্থলপথে যাত্রাকালে অনেকেই প্রাণ হারান। এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে সামনে আছে ইতালি পাড়ি দেওয়ার সময় সমুদ্রে ডুবে এই মানুষদের মৃত্যু। সুনামগঞ্জের বাতাস আজ ভারী। অথচ, সঠিক পথে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গেলে তাদের স্বপ্নের

কিছু সময়ের জন্য কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করা গেলেও সব সময়ে সব মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায় না। ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য, তাকে তা দিতে হবে। এ কথা যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তেমনি প্রযোজ্য জিয়াউর রহমানসহ অন্য নেতাদের জন্যও।

স্বাধীন বাংলাদেশের একটি বড় শক্তি হলো–আমাদের বিশাল জনসংখ্যা। অনেকে এটিকে চাপ হিসেবে দেখলেও আমার কাছে এটি আশীর্বাদ। এই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে প্রবল গতিতে—আমাদের আর থামিয়ে রাখা যাবে না।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, পারমাণবিক যুদ্ধের হাত থেকে শতভাগ মুক্তি পাওয়া অসম্ভব। তবে বিজ্ঞানের তথ্য-উপাত্ত এবং ভৌগোলিক কৌশল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় নিউজিল্যান্ডের টিকে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

যুদ্ধের বাস্তবতা যেকোনো নীতিনির্ধারণী নথির চেয়ে দ্রুত সত্য উন্মোচন করে। ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাত এমন কিছু ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, যা কয়েক দশক ধরে বৈশ্বিক পুঁজি বণ্টনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

দিনশেষে শ্বাস-প্রশ্বাসে সক্রিয় থাকা সবাই তো এই দেশের করুণ ও ন্যূনতম নিশ্চয়তাহীন জীবনযুদ্ধের অকুতোভয় ও হার না মানা জীবনযোদ্ধা, তাই না? মুখনিঃসৃত একটুখানি ‘অভিনন্দন’ তো প্রাপ্যই আমাদের, ঠিক কিনা?

দিনশেষে শ্বাস-প্রশ্বাসে সক্রিয় থাকা সবাই তো এই দেশের করুণ ও ন্যূনতম নিশ্চয়তাহীন জীবনযুদ্ধের অকুতোভয় ও হার না মানা জীবনযোদ্ধা, তাই না? মুখনিঃসৃত একটুখানি ‘অভিনন্দন’ তো প্রাপ্যই আমাদের, ঠিক কিনা?

ইরান জানে তারা সামরিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষ নয়। তাই তারা ‘আউটলাস্ট’ করার কৌশল নিয়েছে। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করা। তারা মনে করে, সময় যত যাবে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অস্ত্র ও সম্পদ ফুরিয়ে আসবে, আর তখন তারা ভালো শর্তে সমঝোতা করতে পারবে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি গত ২০ জানুয়ারি দাভোসে তার ভাষণের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি কানাডার মতো মধ্যম শক্তির দেশগুলোকে একত্রিত হয়ে মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা, টেকসই উন্নয়ন, সংহতি, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার মতো মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থা

বর্তমান তেল সংকটেও সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের পক্ষ থেকে একই ধরনের আচরণ পরিলক্ষিত হচ্ছে। সরকারি ভাষ্যেই স্পষ্ট যে, অবৈধভাবে তেল মজুতের ঘটনা ঘটছে। অভিযান চালানোর পর সেসবের কিছু কিছু ধরা পড়ার খবরও মিলছে।

সামনেই অসমিয়াদের প্রাণের উৎসব রঙালি বিহু। ভোটের উত্তাপেও চলছে বিহুর প্রস্তুতি। কিন্তু এবারের বিহুতে থাকবেন না তাদের প্রাণপ্রিয় শিল্পী। তাই শোকের ছায়া সর্বত্র। সেই শোকই জন্ম দিচ্ছে ক্ষোভের।

একসময় ইন্টারনেটকে দেখা হতো অগ্রগতির প্রায় অনিবার্য বাহন হিসেবে। মনে করা হতো, প্রযুক্তি যত ছড়াবে, তথ্যপ্রবাহ তত উন্মুক্ত হবে; সংযোগ যত বাড়বে, বিশ্ব তত সহযোগিতামূলক হবে; ডিজিটাল যোগাযোগ যত সহজ হবে, সমাজ তত গণতান্ত্রিক হবে। এই ধারণার ভেতরে আশাবাদ ছিল, কিন্তু বাস্তবতার তুলনায় সরলতাও ছিল। কারণ ইন্টারনেট

জুলাই সনদের ওপর মুলতবি আলোচনার ফলাফল যাই হোক না কেন, সেটি গ্রহণ করা উচিত সকল রাজনৈতিক দলের। বিএনপির অবস্থান যদি জামায়াত-এনসিপির পছন্দ না হয়, সেক্ষেত্রে তারা সংসদে এবং সংসদের বাইরে জনমত গড়ে তুলতে কাজ করতে পারে।

তাইজুল কি চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিল না মূলধারার গণমাধ্যম প্রান্তিক মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঠিকঠাক কাজ করছে না? গণমাধ্যমের কর্মী হিসেবে জানি, আজকাল প্রত্যন্ত অঞ্চলের সমস্যাগুলো নিয়ে নিউজ প্রায় হয় না বললেই চলে।

ইরান যুদ্ধের মোড় যেদিকেই যাক না কেন, এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর ফলে চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়বে এবং নজরদারি আরও জোরালো হবে।

মানবপাচারকারীরা প্রায়ই বিপজ্জনক রুট ব্যবহার করে মানুষ পাচার করে থাকে। সমুদ্রপথে বা দুর্গম স্থলপথে যাত্রাকালে অনেকেই প্রাণ হারান। এর সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে সামনে আছে ইতালি পাড়ি দেওয়ার সময় সমুদ্রে ডুবে এই মানুষদের মৃত্যু। সুনামগঞ্জের বাতাস আজ ভারী। অথচ, সঠিক পথে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গেলে তাদের স্বপ্নের

কিছু সময়ের জন্য কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করা গেলেও সব সময়ে সব মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায় না। ইতিহাসে যার যেটুকু প্রাপ্য, তাকে তা দিতে হবে। এ কথা যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তেমনি প্রযোজ্য জিয়াউর রহমানসহ অন্য নেতাদের জন্যও।

স্বাধীন বাংলাদেশের একটি বড় শক্তি হলো–আমাদের বিশাল জনসংখ্যা। অনেকে এটিকে চাপ হিসেবে দেখলেও আমার কাছে এটি আশীর্বাদ। এই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে প্রবল গতিতে—আমাদের আর থামিয়ে রাখা যাবে না।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, পারমাণবিক যুদ্ধের হাত থেকে শতভাগ মুক্তি পাওয়া অসম্ভব। তবে বিজ্ঞানের তথ্য-উপাত্ত এবং ভৌগোলিক কৌশল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় নিউজিল্যান্ডের টিকে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

যুদ্ধের বাস্তবতা যেকোনো নীতিনির্ধারণী নথির চেয়ে দ্রুত সত্য উন্মোচন করে। ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাত এমন কিছু ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, যা কয়েক দশক ধরে বৈশ্বিক পুঁজি বণ্টনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

দিনশেষে শ্বাস-প্রশ্বাসে সক্রিয় থাকা সবাই তো এই দেশের করুণ ও ন্যূনতম নিশ্চয়তাহীন জীবনযুদ্ধের অকুতোভয় ও হার না মানা জীবনযোদ্ধা, তাই না? মুখনিঃসৃত একটুখানি ‘অভিনন্দন’ তো প্রাপ্যই আমাদের, ঠিক কিনা?

দিনশেষে শ্বাস-প্রশ্বাসে সক্রিয় থাকা সবাই তো এই দেশের করুণ ও ন্যূনতম নিশ্চয়তাহীন জীবনযুদ্ধের অকুতোভয় ও হার না মানা জীবনযোদ্ধা, তাই না? মুখনিঃসৃত একটুখানি ‘অভিনন্দন’ তো প্রাপ্যই আমাদের, ঠিক কিনা?