
আন্তর্জাতিক ক্রয়ের আওতায় কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপি থেকে ডিপিএম পদ্ধতিতে ১ লাখ মেট্রিক টন ৫০ পিপিএম সালফার ডিজেল আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৮৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিসের সময় পরিবর্তন করা হয়েছেন—জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে এমন একটি চিঠি। তবে এই চিঠিটি ভুয়া বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ব্রিফিং এ আরো জানানো হয়, গত শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে অনলাইন সভায় সিদ্ধান্তের আলোকে সারা দেশের সকল পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে।

সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ পেট্রোল পাম্পে অযথা ভিড় না করার আহ্বান জানিয়েছেন। সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি এবং সরবরাহও কমানো হয়নি। ফলে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

দেশের বাজারে এপ্রিল মাসেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল না কিনতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

চলমান জ্বালানি প্রেক্ষাপটে দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

ইরান যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার কারণে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কায় সরকার রেশনিং শুরু করেছিল। পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।

দেশের জনগণের চাহিদা বিবেচনা করে বিভাগীয় শহরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

জ্বালানি সংকটের গুজবে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে। বিপিসি জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্রাহকরা এখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন, যা অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদিত সীমার বাইরে। এর ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহক

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। তিনি বলেন, তেলের কোনো সংকট নেই। তবে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি সরবরাহ চালিয়ে যাবে।

দ্বিগুনের বেশি দামে মার্চ মাসের জন্য বাংলাদেশ দুই কার্গো এলএনজি কিনেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। ফলে চলতি মাসের জন্য এলএনজির কোনো ঘাটতি হবে না বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি।

যদিও সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত মজুতের দাবি করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রেশনিং ব্যবস্থাই বাজারের প্রকৃত সংকটের গভীরতার জানান দিচ্ছে।

মাহমুদ বলেন, “জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া গেলে বিদ্যমান মজুত থেকে ঈদ ছুটি বা মার্চ মাস পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব।”

মাহমুদ বলেন, “জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া গেলে বিদ্যমান মজুত থেকে ঈদ ছুটি বা মার্চ মাস পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব।”