চরচা প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলারের বিনিময় হারের অস্থিরতার অজুহাতে দেশে ফার্নেস তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ৫১ টাকারও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি চলতি এপ্রিল মাসের জন্য এই জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটার ১২১.১৪ টাকা নির্ধারণের খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে।
বর্তমানে প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের নির্ধারিত দাম ৭০.১০ টাকা। প্রস্তাবিত বাড়তি মূল্য বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৭৩ শতাংশ বেশি, যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার বিইআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির এক সভায় এই খসড়া সুপারিশ পেশ করা হয়। বিইআরসি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি), বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত আট সদস্যের এই কমিটি গত কয়েক মাসের আন্তর্জাতিক বাজার দর ও স্থানীয় ব্যয় বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বর্তমান দামের তুলনায় প্রতি লিটারে ৫১.০৪ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
কমিটির প্রতিবেদনে মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে ফার্নেস তেলের ব্যাপক দরবৃদ্ধিকে দায়ী করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি-মার্চ সময়ে বিশ্ববাজারে ফার্নেস তেলের গড় ‘প্ল্যাটস রেট’ প্রতি মেট্রিক টনে ৩৯৫.১৩ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৬৯৭.৩৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে এই জ্বালানির দাম বেড়েছে প্রায় ৭৬ শতাংশ। একইসঙ্গে আমদানি খরচ বা সিআইএফ মূল্য ৪১৬.৯৬ ডলার থেকে বেড়ে ৭৪২.৭৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এলসি সেটেলমেন্টের ক্ষেত্রে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২.৭২ টাকা ধরে এই নতুন মূল্যের হিসাব কষা হয়েছে।
এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হলে দেশের বিদ্যুৎ ও উৎপাদনশীল খাতে বহুমুখী প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যেহেতু বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এই তেলের অন্যতম প্রধান গ্রাহক, সেজন্য ফার্নেস তেলের দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে শেষ পর্যন্ত খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর চাপ তৈরি হবে, যা সরাসরি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দেবে। এছাড়া শিল্প-কারখানায় জ্বালানি হিসেবে ফার্নেস তেলের ব্যাপক ব্যবহার থাকায় উৎপাদন খরচ বেড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে, যা সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
বিপিসি ও বিইআরসির এই সমন্বিত কমিটি জানিয়েছে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি জারি করা আদেশের ধারাবাহিকতায় তিন মাস অন্তর মূল্য সমন্বয়ের অংশ হিসেবেই এই নতুন সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির এই সুপারিশ এখন কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। কমিশন এই প্রস্তাব অনুমোদন করলে দ্রুতই নতুন বর্ধিত দাম কার্যকর হতে পারে। তবে সাধারণ ভোক্তা ও শিল্প মালিকরা এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলারের বিনিময় হারের অস্থিরতার অজুহাতে দেশে ফার্নেস তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ৫১ টাকারও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি চলতি এপ্রিল মাসের জন্য এই জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটার ১২১.১৪ টাকা নির্ধারণের খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে।
বর্তমানে প্রতি লিটার ফার্নেস তেলের নির্ধারিত দাম ৭০.১০ টাকা। প্রস্তাবিত বাড়তি মূল্য বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৭৩ শতাংশ বেশি, যা দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার বিইআরসি ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির এক সভায় এই খসড়া সুপারিশ পেশ করা হয়। বিইআরসি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি), বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত আট সদস্যের এই কমিটি গত কয়েক মাসের আন্তর্জাতিক বাজার দর ও স্থানীয় ব্যয় বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বর্তমান দামের তুলনায় প্রতি লিটারে ৫১.০৪ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
কমিটির প্রতিবেদনে মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে ফার্নেস তেলের ব্যাপক দরবৃদ্ধিকে দায়ী করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি-মার্চ সময়ে বিশ্ববাজারে ফার্নেস তেলের গড় ‘প্ল্যাটস রেট’ প্রতি মেট্রিক টনে ৩৯৫.১৩ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৬৯৭.৩৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে এই জ্বালানির দাম বেড়েছে প্রায় ৭৬ শতাংশ। একইসঙ্গে আমদানি খরচ বা সিআইএফ মূল্য ৪১৬.৯৬ ডলার থেকে বেড়ে ৭৪২.৭৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এলসি সেটেলমেন্টের ক্ষেত্রে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২.৭২ টাকা ধরে এই নতুন মূল্যের হিসাব কষা হয়েছে।
এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হলে দেশের বিদ্যুৎ ও উৎপাদনশীল খাতে বহুমুখী প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যেহেতু বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এই তেলের অন্যতম প্রধান গ্রাহক, সেজন্য ফার্নেস তেলের দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে শেষ পর্যন্ত খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর চাপ তৈরি হবে, যা সরাসরি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দেবে। এছাড়া শিল্প-কারখানায় জ্বালানি হিসেবে ফার্নেস তেলের ব্যাপক ব্যবহার থাকায় উৎপাদন খরচ বেড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে, যা সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
বিপিসি ও বিইআরসির এই সমন্বিত কমিটি জানিয়েছে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি জারি করা আদেশের ধারাবাহিকতায় তিন মাস অন্তর মূল্য সমন্বয়ের অংশ হিসেবেই এই নতুন সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। কমিটির এই সুপারিশ এখন কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। কমিশন এই প্রস্তাব অনুমোদন করলে দ্রুতই নতুন বর্ধিত দাম কার্যকর হতে পারে। তবে সাধারণ ভোক্তা ও শিল্প মালিকরা এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।