Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

জ্বালানি তেলে রেশনিং কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১: ৪৮
জ্বালানি তেলে রেশনিং কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সরকারের আচরণকে সংকটের পূর্বাভাস মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কায় আজ শুক্রবার থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল বিক্রির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত মজুতের দাবি করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রেশনিং ব্যবস্থাই বাজারের প্রকৃত সংকটের গভীরতার জানান দিচ্ছে।

Advertisement

বিপিসির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার, ব্যক্তিগত গাড়ি বা প্রাইভেটকার ১০ লিটার এবং এসইউভি বা জিপ ২০ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত অকটেন বা পেট্রোল নিতে পারবে। পরিবহন ও পণ্যবাহী যানবাহনের ক্ষেত্রে ডিজেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত।

পাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণে কতটা প্রভাব পড়বে? বিশেষত যদি গ্রাহক এক পাম্প থেকে নিয়ে অন্য পাম্প থেকে আরও তেল কেনার মতো চালাকির আশ্রয় নেয়? বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম এই প্রশ্নের জবাবে চরচাকে বলেন, “সেটাই তো একটা মেসেজ। গ্রাহকের যদি একান্তই প্রয়োজন হয়, এই সিরিয়াল ধরে অন্য পাম্প থেকে তেল নেওয়ার ভোগান্তি যদি সে নিতে পারে, আমাদের কোনো আপত্তি নাই। যারা চালাকি করবে, তাদের বলব, এমন চালাকির কোনো দরকার নাই। তেলের কোনো সংকট নাই।”

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “গ্রাহকদের কাছে আমাদের বিনীতি আবেদন থাকবে, আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য। বৈশ্বিক একটা সংকট দেখা দিয়েছে। আমরা সবাই জানি। কিন্তু আমাদের তো কোনো ঘাটতি নাই। মার্চ মাসের জন্য আমাদের পর্যাপ্ত তেলের মজুত আছে। আগামী সপ্তাহে আরও ৫ কার্গো তেল আসবে। তারপরও গত দুই দিনে চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ তেল বিক্রি হয়েছে। বিভিন্ন পাম্পে সারা দিন ভিজিট করে গ্রাহকদের সচেতনতার কোনো অভাব আছে বলে মনে হয়নি।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই তেল গ্রহণ স্বাভাবিক মনে করছেন কি না–এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পুরো তেলের সাপ্লাই চেন আমরা মনিটর করছি। এই সময় কোনো ধরনের কারসাজি শক্ত হাতে দমন করা হবে।”

জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ, পর্যাপ্ত মজুতের দাবি বিপিসিরcar-fuel-oil-price

সরকারের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবের কারণে গত দুদিনে চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ তেল বিক্রি হওয়ায় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির উপক্রম হয়েছে।

তবে সরকারের এই পদক্ষেপকে ভিন্নভাবে দেখছেন বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ আহমেদ। চরচা-কে তিনি বলেন, “সরকার যখন রেশনিং করে, তখনই বোঝা যায় যে আসলে সংকট আছে।”

এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বলেন, “দেশে বর্তমানে ডিজেলের মজুত অত্যন্ত কম, যা দিয়ে মাত্র ৮ থেকে ৯ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব হতে পারে। বাংলাদেশ প্রায় ১০০ শতাংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অন্তত তিন মাসের ‘কৌশলগত মজুত’ বা ‘লিকুইড গোল্ড রিজার্ভ’ থাকা অত্যন্ত জরুরি ছিল। আমরা যদি গোল্ডকে রিজার্ভ হিসেবে রাখতে পারি, তাহলে বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, তেলের কৌশলগত মজুত রাখা আমাদের জন্য কতখানি গুরুত্বপূর্ণ।”

আওয়ামী লীগ সরকার জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দ্রুত তেল খালাস নিশ্চিত করতে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুড়িং উইথ ডাবল পাইপলাইন (এসপিএম) প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিল। আগেই প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পেট্রোবাংলার তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখার তাগিদ দিয়েছেন জ্বালানি বিশ্লেষকেরা।

জ্বালানি অবকাঠামোয় আঘাত, সংকটের মুখে বাংলাদেশoill-tanker-from-freepik

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালী উপকূলে নির্মাণাধীন এই প্রকল্প চালু হলে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি তেল সরবরাহ সম্ভব হবে এবং তেল খালাসের সময় ১০-১২ দিন থেকে কমে ৪৮ ঘণ্টায় নেমে আসবে। এতে দেশের কার্যকর জ্বালানি মজুত সক্ষমতা ও সরবরাহ নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এসপিএম বাস্তবায়ন হলে, বর্তমানের সর্বোচ্চ ১৪ দিনের ডিজেল মজুত সক্ষমতা বেড়ে ৩০ থেকে ৩৫ দিনে উন্নিত হবে।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১৪ দিনের, পেট্রোলের ১৭ দিনের এবং অকটেনের ৩১ দিনের। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের কারণে লোহিত সাগর বা হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে আমদানি প্রক্রিয়া পুরোপুরি বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যা বাংলাদেশের পরিবহন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করবে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।

বিষয়: জ্বালানিজ্বালানি তেলমধ্যপ্রাচ্যসরকারতেলবিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ