মোসাদের দাবি
চরচা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইউরোপজুড়ে গোপন সেল তৈরি করে ‘অন-কমান্ড’ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। আজ রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
ইউরোপীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে হামাসের অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার এবং একাধিক হামলার পরিকল্পনা প্রতিহত করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মোসাদ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামাস ইউরোপজুড়ে একটি সুসংগঠিত অপারেশনাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যেখান থেকে ‘অন-কমান্ড’, অর্থাৎ নির্দেশ পেলেই হামলা চালানোর প্রস্তুতি ছিল।
এতে আরও বলা হয়, জার্মানি ও অস্ট্রিয়াসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে যৌথ অভিযানে ইসরায়েলি ও ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে। এ সময় কয়েকটি অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার ও বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় দেশটির ডিএসএন নিরাপত্তা সংস্থা একাধিক পিস্তল, বিস্ফোরক ও যোগাযোগ সরঞ্জামসহ একটি গোপন অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে। এই অস্ত্রভাণ্ডারের সঙ্গে সিনিয়র হামাস নেতা বাসেম নাঈমের ছেলে মোহাম্মদ নাঈমের যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে মোসাদ।
মোসাদের অভিযোগ, কাতারে অবস্থানরত হামাসের নেতারা এই আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক পরিচালনায় জড়িত, যদিও তারা প্রকাশ্যে এসব অস্বীকার করেন।
এদিকে, তুরস্কে হামাস-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের তৎপরতাও নজরদারির মধ্যে রয়েছে। গত নভেম্বর মাসে জার্মান কর্তৃপক্ষ বুরহান আল-খাতিব নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে, যিনি দীর্ঘদিন তুরস্কে সক্রিয় ছিলেন এবং সম্প্রতি জার্মানিতে গিয়েছিলেন।
জার্মানি ইতিমধ্যেই কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্থগিত করেছে, যেগুলো হামাসের জন্য অর্থ জোগাড় ও মতাদর্শ ছড়িয়ে দিতে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইউরোপজুড়ে গোপন সেল তৈরি করে ‘অন-কমান্ড’ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। আজ রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
ইউরোপীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে হামাসের অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার এবং একাধিক হামলার পরিকল্পনা প্রতিহত করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মোসাদ।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামাস ইউরোপজুড়ে একটি সুসংগঠিত অপারেশনাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যেখান থেকে ‘অন-কমান্ড’, অর্থাৎ নির্দেশ পেলেই হামলা চালানোর প্রস্তুতি ছিল।
এতে আরও বলা হয়, জার্মানি ও অস্ট্রিয়াসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে যৌথ অভিযানে ইসরায়েলি ও ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে। এ সময় কয়েকটি অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার ও বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় দেশটির ডিএসএন নিরাপত্তা সংস্থা একাধিক পিস্তল, বিস্ফোরক ও যোগাযোগ সরঞ্জামসহ একটি গোপন অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করে। এই অস্ত্রভাণ্ডারের সঙ্গে সিনিয়র হামাস নেতা বাসেম নাঈমের ছেলে মোহাম্মদ নাঈমের যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে মোসাদ।
মোসাদের অভিযোগ, কাতারে অবস্থানরত হামাসের নেতারা এই আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক পরিচালনায় জড়িত, যদিও তারা প্রকাশ্যে এসব অস্বীকার করেন।
এদিকে, তুরস্কে হামাস-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের তৎপরতাও নজরদারির মধ্যে রয়েছে। গত নভেম্বর মাসে জার্মান কর্তৃপক্ষ বুরহান আল-খাতিব নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে, যিনি দীর্ঘদিন তুরস্কে সক্রিয় ছিলেন এবং সম্প্রতি জার্মানিতে গিয়েছিলেন।
জার্মানি ইতিমধ্যেই কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্থগিত করেছে, যেগুলো হামাসের জন্য অর্থ জোগাড় ও মতাদর্শ ছড়িয়ে দিতে ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।