
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে। সবাই চাইছে দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ হোক। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে। সবাই চাইছে দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ হোক। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে। সবাই চাইছে দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ হোক। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে। সবাই চাইছে দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ হোক। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে। সবাই চাইছে দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ হোক। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে। সবাই চাইছে দ্রুত এই যুদ্ধ শেষ হোক। বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, তেহরানের নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা এবং কোনো চুক্তি ছাড়াই এই সংঘাত কমিয়ে আনা হতে পারে। এই যুদ্ধ নিয়ে ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে

বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি এবং অন্যতম ধনী রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু দৃশ্যত শক্তিশালী এই অর্থনীতির আড়ালে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার এক কঠিন বাস্তবচিত্র উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। অর্থনীতির সহযোগী অধ্যাপক অলিভিয়ার স্টার্কের এই গবেষণাটি প্রথাগত দারিদ্র্য

এই অবৈধভাবে ইউরোপ গমন ঠেকানোর জন্য স্থানীয় ভাবে সচেতনতার ক্যাম্পেইন করা। আর যেসব সাব–এজেন্ট মানুষদের প্রলোভন দেখায় তাদের শণাক্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া। আর এইসব রুটে বিভিন্ন মাফিয়া থাকে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ভাবে ভুক্তভোগী দেশগুলোর মানবপাচার বিরোধী সমন্বিত চুক্তি করা।

মূলত ২০২৩ সালে নোকিয়ার ‘ক্লাউড অ্যান্ড নেটওয়ার্ক সার্ভিস’ এবং ‘মোবাইল নেটওয়ার্ক’ বিভাগ দুটির সংযুক্তিকরণের ফলে অনেক পদ এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। এই পদের আধিক্য কমাতেই ছাঁটাইয়ের পথ বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ইসরায়েল ছাড়া আর কাউকে পাশে কেন পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র? বিশ্ব জ্বালানি বাজার নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে তা কোনদিকে নিয়ে যাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে? চরচা সংলাপে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তফা।

আমেরিকার বিভিন্ন স্থাপনা ও ব্যক্তিবর্গ কি আসলেই হুমকির মুখে? ইরান যুদ্ধ কোনদিকে যাচ্ছে? ইউরোপ, জাপান কি জড়িয়ে পড়বে? আরব ন্যাটোর কথা শোনা যাচ্ছে, কিন্তু কতটা বাস্তব? যুদ্ধ ও আলোচনা কি একসঙ্গে চলতে পারে? ইসরায়েল কি শেষ পর্যন্ত নিউক্লিয়ার অস্ত্র ব্যবহার করে বসবে?

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে বিরক্ত ইউরোপ। ইসরায়েল ছাড়া আর কাউকে পাশে কেন পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র? বিশ্ব জ্বালানি বাজার নিয়ে যে অস্থিরতা চলছে তা কোনদিকে নিয়ে যাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে? চরচা সংলাপে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তফা।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে নজিরবিহীন এক সংকট তৈরি হতে পারে, যার নেতিবাচক প্রভাব আজ হোক বা কাল বিশ্ব অর্থনীতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছাবে। তবে এরই মধ্যে এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, এই সংকটের কারণে কিছু দেশ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে, অথবা এই ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা তাদের একেবারেই কম।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ
ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে নজিরবিহীন এক সংকট তৈরি হতে পারে, যার নেতিবাচক প্রভাব আজ হোক বা কাল বিশ্ব অর্থনীতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছাবে। তবে এরই মধ্যে এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, এই সংকটের কারণে কিছু দেশ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে, অথবা এই ধাক্কা সামলানোর সক্ষমতা তাদের একেবারেই কম।