চরচা ডেস্ক

আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে হামাস । এই দাবির স্বপক্ষে জোরালো প্রমাণ রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। ওয়াশিংটন বলছে, এই হামলা হলে তা হবে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সময় শনিবার এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, গাজার বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে হামাসের পরিকল্পিত এই হামলা যুদ্ধবিরতির সরাসরি ও গুরুতর লঙ্ঘন হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামাস যদি এই হামলা চালায়, তবে গাজার জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে সেই পদক্ষেপ কি হবে তা নিয়ে কোনো কিছুই নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
এই সপ্তাহে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় বেসামরিকদের হত্যার ঘটনায় হামাসকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে লেখেন, “যদি হামাস গাজায় নিরপরাধ মানুষকে হত্যার চেষ্টা করে এবং এর মাধ্যমে যুদ্ববিরতির চুক্তি ভঙ্গ করে, তাহলে আমাদের হাতে হামাসকে ধ্বংস করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবেনা”।
গত সপ্তাহে হামাস ও ইসরায়েল কয়েক ধাপে সম্পন্ন করার মতো শান্তিচুক্তিতে একমত হয়। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে ইসরায়েল গাজায় তার সামরিক অভিযান বন্ধ করে দিয়েছ। এই চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আক্রমণের পর যেসব ইসরায়েলি নাগরিককে বন্দী করেছিল তাদেরকে মুক্তি দেবে। এছাড়াও চুক্তির প্রথম ধাপে মৃতদের দেহাবশেষ ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এই শর্তগুলো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখনও জটিল ও সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে।
ওয়াশিংটন ইতিমধ্যেই এই শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে (মিসর, কাতার ও তুরস্ক) হামাসের ‘আসন্ন যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ বিষয়ে অবহিত করেছে বলে জানানো হয়েছে।

আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে হামাস । এই দাবির স্বপক্ষে জোরালো প্রমাণ রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। ওয়াশিংটন বলছে, এই হামলা হলে তা হবে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থানীয় সময় শনিবার এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, গাজার বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে হামাসের পরিকল্পিত এই হামলা যুদ্ধবিরতির সরাসরি ও গুরুতর লঙ্ঘন হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামাস যদি এই হামলা চালায়, তবে গাজার জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে সেই পদক্ষেপ কি হবে তা নিয়ে কোনো কিছুই নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
এই সপ্তাহে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় বেসামরিকদের হত্যার ঘটনায় হামাসকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে লেখেন, “যদি হামাস গাজায় নিরপরাধ মানুষকে হত্যার চেষ্টা করে এবং এর মাধ্যমে যুদ্ববিরতির চুক্তি ভঙ্গ করে, তাহলে আমাদের হাতে হামাসকে ধ্বংস করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবেনা”।
গত সপ্তাহে হামাস ও ইসরায়েল কয়েক ধাপে সম্পন্ন করার মতো শান্তিচুক্তিতে একমত হয়। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে ইসরায়েল গাজায় তার সামরিক অভিযান বন্ধ করে দিয়েছ। এই চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আক্রমণের পর যেসব ইসরায়েলি নাগরিককে বন্দী করেছিল তাদেরকে মুক্তি দেবে। এছাড়াও চুক্তির প্রথম ধাপে মৃতদের দেহাবশেষ ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এই শর্তগুলো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখনও জটিল ও সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে।
ওয়াশিংটন ইতিমধ্যেই এই শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে (মিসর, কাতার ও তুরস্ক) হামাসের ‘আসন্ন যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ বিষয়ে অবহিত করেছে বলে জানানো হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।