
স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ায় ঐতিহ্যবাহী 'ফায়াস' উৎসবে মেতে উঠেছিলেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। গাজা ও ইরানে হা/মলার প্রতিবাদে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ব্যঙ্গাত্মক ভাস্কর্য পোড়ানো হয়। যুদ্ধবিরোধী বার্তার পাশাপাশি চার্লি চ্যাপলিনের ভাস্কর্যের মাধ্যমে দেওয়া হয় শান্তির বার্তা।

লেবাননে ইতোমধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সাম্প্রতিক সংঘাতের আগে দেশটি আগের যুদ্ধের ক্ষত কাটিয়ে উঠতেই পারেনি।

বর্তমানে ইউরোপের আর কোনো নেতা ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বাধানো ‘অন্যায় যুদ্ধে’র বিরুদ্ধে সানচেজের মতো সোচ্চায় নন। তার কণ্ঠস্বর ক্রমশ জোরালো হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু অন্তত আপাতত তিনি একা।

এ বিশ্ব কতটা মানবিক হলো? দেশে দেশে যুদ্ধ ও সংঘাতে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। এমনকি যুদ্ধের বাইরে এই বাংলাদেশেও আক্রান্ত হচ্ছে শৈশব। কেন?

প্রাথমিকভাবে ইসরায়েল মন্ত্রণালয়ের মৃত্যুর সংখ্যা অবিশ্বাসযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করে। তবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, যুদ্ধে ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের দেওয়া সংখ্যাকে কার্যত স্বীকার করে।

গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেও রমজান ফিরেছে আশার আলো হয়ে। ভয় আর অনিশ্চয়তা সঙ্গী হলেও মানুষ খুঁজছে স্বাভাবিক জীবনের স্বাদ। হাজারো প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির ক্ষত বয়ে নিয়েও গাজার মানুষ রমজানকে টিকে থাকার প্রতীক হিসেবে আঁকড়ে ধরেছে।

ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক কমিটির প্রধান আলী শাথ এই সীমান্ত খোলাকে ‘বেঁচে থাকার পথ এবং সুযোগের প্রতীক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় আরও অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। গত অক্টোবর ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এটিই সবচেয়ে বড় হামলা বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনিরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাকে নিজের কব্জায় নিয়ে নিয়েছেন বললে ভুল হবে না। তারপর তিনি কোথায় হাত দেবেন? ইরানে? কিন্তু ইরানের সঙ্গে পেরে ওঠা কি ভেনেজুয়েলার মতো সহজ হবে? আলোচনায় চরচার পরামর্শক সম্পাদক শাকিল আনোয়ার।

তিনি বলেন, গাজা সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ হলে ইসরায়েল সেনা পিছু হটবে। কুশনারের মতে, নিরস্ত্রীকরণের দায়িত্ব পালন করবে গাজার নতুন প্রযুক্তিভিত্তিক কমিটি, যা ট্রাম্পের গঠিত বোর্ড অব পিস এর মাঠপর্যায়ের কাজ দেখবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘বোর্ড অব পিস’। বিভিন্ন স্থানে সংঘাতের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবে এটি। শুরুটা হচ্ছে গাজা দিয়ে। আর এতে যোগ দিয়েছে বিশ্বের ৮টি শক্তিশালী মুসলিম দেশ। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

সৌদি আরবসহ আটটি মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগদানের আমন্ত্রণকে স্বাগত জানিয়েছেন। গাজা সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার প্রতি তাদের সম্মিলিত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারক করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বানানো ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পরিষদে’ যোগ দিচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

বিশ্বের বিদ্যমান বহুপাক্ষিক কাঠামোকে পাশ কাটিয়ে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গাজা সংকট দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক ক্ষমতার কাঠামো নিয়ন্ত্রণের নতুন ছক। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এটি শান্তির চেয়ে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে

বিশ্বের বিদ্যমান বহুপাক্ষিক কাঠামোকে পাশ কাটিয়ে ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গাজা সংকট দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক ক্ষমতার কাঠামো নিয়ন্ত্রণের নতুন ছক। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এটি শান্তির চেয়ে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে