চরচা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ কোরিয়া সফরের কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তর কোরিয়া পশ্চিম উপকূলে একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।
আজ বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, পীত সাগরে চালানো ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দুই ঘণ্টারও বেশি সময় উড়ে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ট্রাম্পের।
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা পাক জং চন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি তত্ত্বাবধান করেন। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী যৌথভাবে অস্ত্রগুলোর বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করছে এবং জানিয়েছে, তারা যেকোনো উত্তর কোরীয় উসকানির বিরুদ্ধে প্রভাবশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা বজায় রাখবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ কোরিয়া সফরের কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তর কোরিয়া পশ্চিম উপকূলে একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।
আজ বুধবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, পীত সাগরে চালানো ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দুই ঘণ্টারও বেশি সময় উড়ে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ট্রাম্পের।
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা পাক জং চন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি তত্ত্বাবধান করেন। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী যৌথভাবে অস্ত্রগুলোর বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করছে এবং জানিয়েছে, তারা যেকোনো উত্তর কোরীয় উসকানির বিরুদ্ধে প্রভাবশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা বজায় রাখবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।