
একসময় পশ্চিমা বিশ্ব মনে করেছিল চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। বিশেষ করে ঋণের ঝুঁকি, প্রকল্পের ব্যর্থতা এবং অংশীদার দেশগুলোর আর্থিক সংকটের কারণে এই উদ্যোগের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের বাস্তবতা সেই ধারণাকে সম্পূর্ণভাবে উল্টে দিয়েছে। বরং দেখা যাচ্ছে

তাদের এই ১০ দিনের সফরের সফল সমাপ্তিই ঠিক করে দেবে, পরবর্তী প্রজন্মের মানুষ পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো গ্রহে বসতি গড়তে পারবে কি না। সারা বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ১০ এপ্রিলের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য, যখন ওরিয়ন সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের অস্ত্রাগারে ‘কামিকাজি’ ড্রোন থাকলেও উইং লুং ড্রোন নেই। পাশাপাশি ইসরায়েল ও আমেরিকা সাধারণত উইং লুং ড্রোন পরিচালনা করে না। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব দুই দেশের কাছেই উইং লুং ২ ড্রোন রয়েছে।

ফরেন পলিসির বিশ্লেষণ
টাংস্টেনকে ঘিরে প্রতিযোগিতা কেবল একটি খনিজ সম্পদের প্রশ্ন নয়; বরং এটি বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক শক্তির লড়াইয়ের প্রতিফলন। যুক্তরাষ্ট্র যেখানে নির্ভরতা কমাতে চাইছে, চীন সেখানে তার প্রভাব ধরে রাখতে কৌশলগতভাবে এগোচ্ছে।

দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টাইন শেষে তারা এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির অপেক্ষায়। লঞ্চ ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন জানিয়েছেন, কারিগরি ও আবহাওয়াগত দিক থেকে মিশনটি এখন পর্যন্ত বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে।

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের লাভের গুড় কোনো একক দেশ হয়তো পাবে না। কৌশলগতভাবে রাশিয়া ও চীন কিছুটা লাভবান হলেও মোটাদাগে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ীরা। তবে মাঝখান থেকে বলি হবে উন্নয়নশীল ও মধ্যসারির দেশগুলো।

ভূমি থেকে জাহাজে নিক্ষেপযোগ্য নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পাল্লা প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার। ফলে চীনের মূল ভূখণ্ডের কিছু এলাকা এর আওতায় চলে আসে।

পরিসংখ্যানগুলো ক্রমশ চীনের পাল্লাকেই ভারী করছে। নিউয়ারআইপিএস গবেষণাপত্রের লেখকদের মানদণ্ড হিসেবে ধরলে দেখা যায়, বিশ্বের শীর্ষ এআই গবেষকদের প্রায় ৩৭ শতাংশ এখন চীনা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত; যেখানে আমেরিকান প্রতিষ্ঠানে এই হার ৩২ শতাংশ।

চীন আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি সমান্তরাল পথে এপস্টেইন সিন্ডিকেট আর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জবাব দিচ্ছে: একটি কূটনৈতিক মুখপাত্রের মাধ্যমে এবং অন্যটি সামরিক মুখপাত্রের মাধ্যমে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অতিথি আপ্যায়ন ও শিষ্টাচারের অদ্ভুত সব নিয়ম রয়েছে, যা সংস্কৃতিভেদে একেবারেই ভিন্ন। কোথাও প্লেট খালি করা প্রশংসার, আবার কোথাও তা অসম্মানের; কোথাও সময়মতো পৌঁছানো জরুরি, আবার কোথাও দেরিতে। আজ ‘কমন কার্টেসি ডে’-তে জেনে নিন

মধ্যপ্রাচ্য-যুদ্ধে জড়িয়ে সবচেয়ে বিপদে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এখন যেকোনোভাবো মুখরক্ষা হলে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে চান। বিশ্লেষণ করেছেন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

অন্যদিকে, ট্রাম্প ও সিয়ের মধ্যে নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠক বিলম্বিত হওয়াও চীনের স্বার্থে যেতে পারে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়বে, যা চীনের জন্য দরকষাকষির সুযোগ বাড়াতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালীতে ‘অবরোধ’ তোলার জন্য আমেরিকার কাউকে প্রয়োজন নেই। হরমুজ প্রণালীর ‘অবরোধ’ তোলার জন্য চীন, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরামর্শ দেন ট্রাম্প। তবে খুব একটা সাড়া পাননি।

হেনরি কিসিঞ্জার একবার বলেছিলেন, “আমেরিকার শত্রু হওয়া বিপজ্জনক হতে পারে, কিন্তু বন্ধু হওয়া সর্বনাশ।” বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কি সেই সত্যকেই বারবার প্রমাণ করছে? ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের এই আবহে কেন সৌদি আরব বা কুয়েতের মতো দেশগুলো এখন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নিয়ে দ্বিধায়?

হেনরি কিসিঞ্জার একবার বলেছিলেন, “আমেরিকার শত্রু হওয়া বিপজ্জনক হতে পারে, কিন্তু বন্ধু হওয়া সর্বনাশ।” বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কি সেই সত্যকেই বারবার প্রমাণ করছে? ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের এই আবহে কেন সৌদি আরব বা কুয়েতের মতো দেশগুলো এখন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নিয়ে দ্বিধায়?