চরচা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারক করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পরিষদে’ যোগ দিচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে তিনি এই শান্তি পরিষদে যোগ দিচ্ছেন বলে আজ বুধবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
প্রাথমিকভাবে গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও বিশ্বের অন্যান্য দ্বন্দ্ব নিরসনে এই বোর্ড অব পিস গঠন করা হয়।
এই বোর্ড অব পিসের আজীবন বা অনির্দিষ্টকালের চেয়ারম্যান থাকবেন ট্রাম্প নিজে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, যেসব দেশ এক বিলিয়ন ডলার করে দেবে তারা বোর্ড অব পিসের আজীবন সদস্য হতে পারবেন।
এদিকে ট্রাম্পের এই সংগঠন জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে দাঁড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কূটনীতিকরা। ট্রাম্প নিজেও জানিয়েছেন, হয়ত জাতিসংঘের স্থলাভিষিক্ত হবে বোর্ড অব পিস।
এখন পর্যন্ত এতে যোগ দিয়েছে আর্জেন্টিনা, আজারবাইজান, বেলারুস, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভিয়েতনাম। সর্বশেষ ইসরায়েল এতে যোগ দিচ্ছে।

ফিলিস্তিনের গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারক করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পরিষদে’ যোগ দিচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ট্রাম্পের আমন্ত্রণে তিনি এই শান্তি পরিষদে যোগ দিচ্ছেন বলে আজ বুধবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
প্রাথমিকভাবে গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও বিশ্বের অন্যান্য দ্বন্দ্ব নিরসনে এই বোর্ড অব পিস গঠন করা হয়।
এই বোর্ড অব পিসের আজীবন বা অনির্দিষ্টকালের চেয়ারম্যান থাকবেন ট্রাম্প নিজে। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, যেসব দেশ এক বিলিয়ন ডলার করে দেবে তারা বোর্ড অব পিসের আজীবন সদস্য হতে পারবেন।
এদিকে ট্রাম্পের এই সংগঠন জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে দাঁড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন কূটনীতিকরা। ট্রাম্প নিজেও জানিয়েছেন, হয়ত জাতিসংঘের স্থলাভিষিক্ত হবে বোর্ড অব পিস।
এখন পর্যন্ত এতে যোগ দিয়েছে আর্জেন্টিনা, আজারবাইজান, বেলারুস, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভিয়েতনাম। সর্বশেষ ইসরায়েল এতে যোগ দিচ্ছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।