Advertisement Banner

ইরান যুদ্ধ হয়ত তাইওয়ানকেও রক্ষা করেছে

চার্লি ক্যাম্পবেল
চার্লি ক্যাম্পবেল
ইরান যুদ্ধ হয়ত তাইওয়ানকেও রক্ষা করেছে
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

প্রথম দেখায় চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (এনপিসি) উদ্বোধন তাইওয়ানের জন্য অমঙ্গলজনক মনে হয়েছিল। বেইজিংয়ের বিশাল ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এর পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং প্রতিরক্ষা বাজেট ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। একইসাথে স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপটি নিয়ে কঠোর ভাষা ব্যবহার করেন।

পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ‘উন্নত যুদ্ধ সক্ষমতার বিকাশকে ত্বরান্বিত করবে’ এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি লি বলেন, চীন তাইওয়ানের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে’। যা গত বছরের শুধু ‘বিরোধিতা’ করার প্রতিশ্রুতির তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় শক্ত অবস্থান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ দ্বীপটিকে (তাইওয়ান) রক্ষা করার জন্য আবশ্যক অস্ত্রের মজুত কমিয়ে দিয়েছে-এমন প্রেক্ষাপটে তাইওয়ান, ইউক্রেন এবং এমনকি ওয়াশিংটনেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের একটি একান্ত বৈঠকে মার্কিন অস্ত্র মজুত নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছিল বলে সূত্রগুলো টাইমকে জানিয়েছে।

বিশ্বের অন্য প্রান্তে একটি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ক্লান্ত ও ব্যস্ত হয়ে পড়ায় পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল যে, চীনের শক্তিশালী নেতা সি চিনপিং হয়তো দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষের গণতান্ত্রিক দ্বীপটির (তাইওয়ান) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর কখনো পাবেন না, যার ‘পুনঃএকত্রীকরণকে’ তিনি ‘ইতিহাসের এক মহান ধারা’ বলে অভিহিত করেছেন। আশঙ্কা হলো, ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক লাভ-ক্ষতির হিসাব করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা এবং ‘শক্তিই ন্যায়’ মতবাদের প্রতি ঝোঁক তার নিজের কর্মকাণ্ডে এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ নিয়ে অবস্থানে-সি চিনপিং এটিকে সবুজ সংকেত হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারেন।

লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের এসওএএস চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক স্টিভ সাং বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্যভাবে উন্নত স্মার্ট গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে, পিএলএ সম্পূর্ণ প্রস্তুত না হলেও কি সি তাইওয়ানে আক্রমণ করার প্রলোভনে পড়তে পারেন?”

তবে অন্যান্য সূচকগুলো বিপরীত দিকেই ইঙ্গিত করছে-অন্তত স্বল্প মেয়াদে হলেও ইরানের ওপর মার্কিন হামলা কার্যত তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সুরক্ষিত করেছে। যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা যুদ্ধের স্বপক্ষে অস্পষ্ট এবং পরস্পরবিরোধী যুক্তি দেখিয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে কি বেরিয়ে আসবে–তা মোটেও পরিষ্কার নয়। তবে এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে, অন্তত কৌশলগত দিক থেকে মার্কিন হামলাগুলো ছিল এক অত্যাশ্চর্য সাফল্য।

প্রথম চার দিনের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে, যার মধ্যে ১৬টি জাহাজও ছিল। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি ইরান থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল দূরে একটি ইরানি ফ্রিগেট ডুবিয়ে দেয় এবং একটি সাবমেরিনও ধ্বংস করে।

পাশাপাশি, ভেনেজুয়েলার স্বৈরশাসক নিকোলাস মাদুরোকে অভিযানের মাধ্যমে বন্দি করার পর আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং তার প্রধান অনুসারীদের বিরুদ্ধে সফল ‘শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূল অভিযান’ এমন এক গোয়েন্দা দক্ষতা ও সামর্থ্যের পরিচয় দেয়, যা পিএলএ-এর ঠিক বিপরীত। কারণ পিএলএ গত প্রায় অর্ধশতাব্দীর মধ্যে কোনো বড় যুদ্ধে লড়েনি (এবং শেষ যেটিতে লড়েছিল, তাতে হেরেছিল)।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জন্য তাইওয়ানভিত্তিক রাজনৈতিক বিজ্ঞানী ওয়েন-তি সাঙ বলেন, “শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূল অভিযানের আশঙ্কা এখন আরও বাস্তবসম্মত একটি পরিস্থিতি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। চীনের প্রথম প্রতিক্রিয়া হবে- ‘এটা এখানেও ঘটতে পারে।”

আরেকটি কারণ হলো, ইরানে চীনের নিজস্ব সামরিক সরঞ্জামের সন্দেহজনক কার্যকারিতা। কথিত আছে, তেহরান বেইজিংয়ের কাছ থেকে ‘কামিকাজে ড্রোন’ এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনেছিল। তাছাড়া, ইরান চীনের উন্নত জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য আলোচনা করছিল, যদিও সেগুলো মোতায়েন করা হয়েছিল কি না তা স্পষ্ট নয়। বেইজিংয়ের মুখ রক্ষার শেষ ভরসা হলো-সেগুলো হয়তো তখনো কার্যকর ছিল না। যদি সেগুলো কার্যকর থেকে থাকে, তবে তা আরও বেশি কলঙ্কজনক। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার কেনা উন্নত চীনা রাডার এবং বিমানবিধ্বংসী ব্যবস্থা যখন মার্কিন স্টেলথ জেটগুলো শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে, যা তাদের শনাক্ত করার কথা ছিল।

ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক চং জা ইয়ান বলেন, “চীন ভেনেজুয়েলা এবং ইরান উভয় দেশেই তাদের নিজস্ব সরঞ্জামের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করবে। আমি মনে করি তারা মার্কিন শক্তির প্রদর্শন এবং বেশ জটিল অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা দেখে কিছুটা বিস্মিত।”

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

এরপর রয়েছে ইরান যুদ্ধের নিজস্ব প্রভাব। নিছক কূটনৈতিক স্তরে চীনকে বেশ অপদস্থ হতে হয়েছে। কয়েক দশক ধরে ইরানের ছায়া বাহিনীগুলো মার্কিন মিত্রদের ওপর তুলনামূলক দায়মুক্তি নিয়ে হামলা চালিয়ে আসছিল, যা বেইজিংয়ের জন্য এক ধরনের পরোক্ষ আনন্দের উৎস ছিল। কিন্তু বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, যারা ২০২৩ সালে তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতা করার পর নিজেদের শান্তিস্থাপক হিসেবে জাহির করেছিল। তাদের ভূমিকা এখন কেবল দায়সারা নিন্দা জানানো এবং ‘শান্তি দূত’ পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে; যা বেইজিংয়ের প্রকৃত অক্ষমতাকে তুলে ধরে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, চীন তার ‘স্বৈরাচারী মিত্রদের জন্য একজন অযোগ্য বন্ধু হিসেবে প্রমাণিত হচ্ছে।’

অর্থনৈতিকভাবেও চীন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চীন ছিল ভেনেজুয়েলা এবং ইরান উভয় দেশের তেলের শীর্ষ আমদানিকারক (যথাক্রমে আমদানির ৪% এবং ১৩%)। তবে আরও বিস্তৃতভাবে বললে, চীনের অর্ধেক তেল এবং প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসে, যা বর্তমানে ব্যাপক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কারণ ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে। বেইজিংয়ের বিশাল তেলের মজুত রয়েছে এবং তারা পরিবেশবান্ধব বিকল্পের দিকে অগ্রগর হচ্ছে, তবে স্পষ্ট বার্তা এই যে, তাদের স্বল্পমেয়াদী জ্বালানি চাহিদা মার্কিন পদক্ষেপের কাছে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

তাছাড়া, তাইওয়ান নিয়ে চীনের পরিকল্পনা এই ধারণার ওপর নির্ভরশীল যে যুক্তরাষ্ট্র এতে হস্তক্ষেপ করবে না। যদিও ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি অন্ততপক্ষে বলতে গেলে বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং তার ‘মাগা’ সমর্থকদের কাছেও বিচ্ছিন্নতামূলক। তবুও ওয়াশিংটনের সর্বশেষ ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল’ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ‘ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইন’ বরাবর একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে, যার মধ্যে তাইওয়ানও অন্তর্ভুক্ত। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পার্ক স্ট্র্যাটেজিস-এর এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শন কিং বলেন, “আমার মনে হয় সি চিনপিং ধরে নিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসবে এবং সে কারণেই তিনি অদূর ভবিষ্যতে আক্রমণ করবেন না।”

প্রকৃতপক্ষে, তাইওয়ানের বিষয়ে লি-র ‘ওয়ার্ক রিপোর্ট’ বা কার্যবিবরণীতে কঠোর সুর থাকলেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রতিরক্ষা বাজেটে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা ৪ দশমিক ৫ থেকে পাঁচ শতাংশের চেয়ে অনেক বেশি। যা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে এটি গত তিন বছরের ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা বাজেটের তুলনায় কম। এছাড়া পিএলএ বর্তমানে মাও সেতুং-এর আমলের পর নজিরবিহীন এক শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে এনপিসি উচ্চপদস্থ বেশ কয়েকজন জেনারেলসহ ৯ জন সামরিক কর্মকর্তাকে পিএলএ-র ডেপুটি তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টার বিষয়ে লি বলেন, জনগণের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর কমিউনিস্ট পার্টির ‘একচ্ছত্র নেতৃত্ব’ বজায় রাখতে সামরিক বাহিনীর ‘রাজনৈতিক সংস্কার’ আরও জোরদার করা হবে। সামরিক বাহিনীতে এই শুদ্ধি অভিযান চলমান থাকায় তাইওয়ান সংকটের ক্ষেত্রে পিএলএ-এর কমান্ড কাঠামো এবং যুদ্ধ প্রস্তুতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এর পাশাপাশি গত বছর লি চীনের তাইওয়ান নীতি কাঠামোর ‘উন্নয়ন’ নিয়ে কথা বললেও এবার তিনি একে ‘গভীরতর’ করার কথা বলেছেন। বিষয়গুলো যে সঠিক পথেই রয়েছে এটি তার ইঙ্গিত দেয়। এসওএএস চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক স্টিভ সাং-এর মতে, এর নির্যাস হলো, তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংকে ভিন্ন কিছু করার চেয়ে বরং যা করছে সেটিই ‘আরও বেশি’ করতে হবে।

এর বড় কারণ হলো তাইওয়ানের ক্ষমতাসীন ‘চীন-সন্দেহভাজন’ ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) বর্তমানে বেশ দিশেহারা। তাদের জনসমর্থন কম, পার্লামেন্টে অচলাবস্থা বিরাজ করছে, চলছে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল এবং বেইজিং-পন্থী বিরোধী দল ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা কেএমটি-এর আইনপ্রণেতাদের পদচ্যুত করার একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা। এই স্থবিরতা বেইজিংয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাওয়া কেএমটি-এর পুনরুত্থানকে ত্বরান্বিত করেছে। আর কেএমটি-এর এই বার্তা অধিক গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের অস্থির প্রকৃতির কারণে, যা ইরান যুদ্ধের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে এবং মার্কিন নিরাপত্তা গ্যারান্টির ওপর গুরুতর সন্দেহ সৃষ্টি করেছে।

প্রকৃতপক্ষে, প্রথা অনুযায়ী লি-র ‘ওয়ার্ক রিপোর্ট’ বা কার্যবিবরণীর শেষ দিকেই তাইওয়ান স্থান পেয়েছে। সামগ্রিক মনোযোগ ছিল মূলত চীনের ধুঁকতে থাকা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার ওপর। যার মধ্যে বেকারত্ব মোকাবিলা, স্থবির আবাসন বাজার এবং উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধির পদক্ষেপগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গত বছরের শুল্ক এবং পাল্টা-শুল্ক আরোপের লড়াইয়ের পর চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য উত্তজনা আংশিক প্রশমিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় এই মাসের শেষের দিকে সি এবং ট্রাম্প সরাসরি সাক্ষাত করতে যাচ্ছেন। তাইওয়ানের মনোভাব যখন আরও সমঝোতামূলক হতে শুরু করেছে-এমনকি তা যদি নিছক কৌশলী কারণেও হয় তখন পরিস্থিতি ঘোলাটে করা সির স্বার্থের অনুকূলে নয়।

সাং বলেন, “সি-এর জন্য হামলা করার নির্দেশ দেওয়াটা অবিবেচনাপ্রসূত হবে, যদি না তিনি পুরোপুরি নিশ্চিত হন যে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারবে না এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে জয় সুনিশ্চিত। গত ১৩ বছরে তিনি কখনোই অবিবেচকের মতো কাজ করেননি।”

(টাইম ম্যাগাজিনের নিবন্ধ থেকে অনূদিত)

চার্লি ক্যাম্পবেল: টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর অ্যাট লার্জ। তিনি সিঙ্গাপুর ব্যুরোতে কাজ করেন।

সম্পর্কিত