Advertisement Banner

কী থাকছে বিশ্বকাপের নতুন ৫ নিয়মে?

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
কী থাকছে বিশ্বকাপের নতুন ৫ নিয়মে?
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। চূড়ান্ত হয়ে গেছে কোন ৪৮টি দল খেলতে যাচ্ছে আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোতে। এবারের বিশ্বকাপ সামনে রেখে ফিফা ঘোষণা দিয়েছে ৫ নিয়ম পরিবর্তনের। ম্যাচের গতি ধরে রাখা ও সময়ের অপচয় রোধে এই পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে বলে মনে করছে ফিফা। দেখে নেওয়া যাক, বিশ্বকাপে ফিফার পাঁচটি নতুন নিয়ম…

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বদলি খেলোয়াড়ের মাঠে প্রবেশ

যেকোনো ম্যাচেই খেলোয়াড় পরিবর্তনের সময় দলগুলো অযথা সময় নষ্ট করে। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে এমন যেন না হয়, সে জন্য খেলোয়াড় বদলের নির্দিষ্ট নিয়ম বেঁধে দিয়েছে ফিফা। পরিবর্তন হওয়া খেলোয়াড়কে সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। এর বেশি সময় নিলে বদলি খেলোয়াড়কে মাঠে প্রবেশের আগে এক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। ওই সময়টা তার দলকে খেলতে হবে ১০ জন নিয়ে।

দ্রুততম সময়ে খেলা শুরুর বাধ্যবাধকতা

গোলকিক এবং থ্রো-ইনেও সময়ক্ষেপণ খুব সাধারণ একটি বিষয়, বিশেষ করে ম্যাচে এগিয়ে থাকা দল প্রায়ই এই কাজটা করে থাকে। বিশ্বকাপে এমন কিছু যাতে না হয়, তাই গোলকিক ও থ্রো-ইন নিতে হবে পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে। এর বেশি সময় নিলে বলের দখল চলে যাবে প্রতিপক্ষের কাছে।

মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের চিকিৎসা

ম্যাচের সময় খেলোয়াড়েরা চোট পেলে প্রাথমিক চিকিৎসা মাঠেই দেওয়া হয়। ফলে খেলা বন্ধ রাখা হয় সেই সময়ে। বিশ্বকাপে অবশ্য এমন কিছুর সুযোগ থাকছে না। নতুন নিয়মে চোট পাওয়া কোনো খেলোয়াড় চিকিৎসা চাইলে তাকে এক মিনিট মাঠের বাইরে থাকতে হবে। তবে প্রতিপক্ষের কোনো খেলোয়াড় যদি ফাউল করে হলুদ বা লাল কার্ড দেখেন, সে ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

রেফারির সঙ্গে কথা বলবেন শুধুমাত্র অধিনায়ক

রেফারির দেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত বিপক্ষে গেলেই তাকে ঘিরে খেলোয়াড়দের জটলা চলে। খেলোয়াড়েরা তর্ক করতে থাকেন রেফারির সঙ্গে। এতে সময়ের অপচয় হয়। খেলার পরিবেশও নষ্ট হয়। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা আপত্তি জানানোর এখতিয়ার থাকবে কেবল অধিনায়কেরই। তিনি ছাড়া অন্য কেউ রেফারির দিকে এগিয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে হলুদ কার্ড দেখানো হবে।

ভিএআরের বর্ধিত ক্ষমতা

ক্রমেই ফুটবলে বাড়ছে ভিডিও সহকারী রেফারি বা ভিএআরের ভূমিকা। সেই ধারায় ২০২৬ বিশ্বকাপে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড বা লাল কার্ডের সিদ্ধান্তও পর্যালোচনা করা হবে এই প্রযুক্তি দিয়ে। পাশাপাশি রেফারি যদি কোনো কর্নারের সিদ্ধান্ত ভুল দিয়েছেন বলে সন্দেহ থাকে, তাহলে সেটিও ভিএআরের মাধ্যমে শোধরানো হবে বা তা নিয়ে সন্দেহ দূর করা হবে।

সম্পর্কিত