Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হলে মার্কিন পাইলটরা যে কৌশল অবলম্বন করে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ৩০
যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হলে মার্কিন পাইলটরা যে কৌশল অবলম্বন করে

যখন মার্কিন কোনো যুদ্ধবিমান শত্রু ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হয়, তখন সামরিক বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে একটি সুশৃঙ্খল ও সমন্বিত অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই অভিযানের নকশা এমনভাবে করা হয় যাতে ক্রুদের উদ্ধার করা যায়, গোপন প্রযুক্তি রক্ষা করা যায়। কারণ ওই ক্রুরা ধরা পড়লে শত্রুপক্ষ যেকোনো ধরনের গোয়েন্দা তথ্য পেতে পারে।

Advertisement

এই ধরনের মিশনের রূপরেখা তৈরি করা হয় ‘পার্সোনেল রিকভারি জয়েন্ট পাবলিকেশন’ (পিআরজেপি) নামের একটি ব্লু-প্রিন্ট থেকে, যেখানে দুটি প্রধান বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। প্রথমত, বিমান ক্রুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দ্বিতীয়ত, সংবেদনশীল সিস্টেমগুলো নিরাপদ করা।

ওই নথিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের মানুষ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, ঐতিহাসিকভাবে দেখা গেছে শত্রুরা বন্দী হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে। পাশাপাশি প্রোপাগান্ডা চালানো বা আলোচনার ক্ষেত্রে সুবিধা নিয়ে থাকে।’

ওই নথিতে বলা হয়, একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার সাথে সাথে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া উদ্ধারকারী দলগুলোকে তৎক্ষণাৎ মোতায়েন করা হয়। এরপর শুরু হয় একটি বহুমুখী উদ্ধার অভিযান, যেখানে বিশেষ অপারেশন ফোর্স থেকে শুরু করে আকাশপথের নজরদারি প্ল্যাটফর্ম—সবই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করে যাতে শত্রুর আগে পাইলটের কাছে পৌঁছানো যায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যদি পাইলট ইজেক্ট (বিমানের সিটসহ বেরিয়ে আসা) করেন এবং বেঁচে থাকেন, তবে তার প্রাথমিক লক্ষ্য থাকে শত্রুর চোখ এড়িয়ে চলা। মোতায়েনের আগে তারা যে সারভাইভাল বা টিকে থাকার কৌশল শিখেছেন, তার ওপর ভিত্তি করে তারা লুকিয়ে থাকেন, বন্ধুভাবাপন্ন বাহিনীর সঙ্গে নিয়ন্ত্রিত যোগাযোগ করেন এবং এমনভাবে চলাফেরা করেন যাতে ধরা পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।

পিআরজেপি ব্লুপ্রিন্টে আরও বলা হয়, উদ্ধার কাজে বিমানবাহিনীর প্যারারেসকিউ জাম্পার, নেভি সিল বা সেনাবাহিনীর বিশেষ অপারেশন ইউনিট পাঠানো হতে পারে। প্রায়ই এদের পাহারায় থাকে সশস্ত্র হেলিকপ্টার বা ফাইটার জেট। পাইলটের অবস্থান শনাক্ত করতে ড্রোন, স্যাটেলাইট এবং অন্যান্য নজরদারি বিমান রিয়েল-টাইমে কাজ করে।

বিধ্বস্ত স্থানটি সুরক্ষিত করা আরেকটি জরুরি অগ্রাধিকার। রাডার অ্যারে, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অস্ত্র সিস্টেমের মতো সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ যাতে শত্রুর হাতে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি স্থল সেনারা ধ্বংসাবশেষের কাছে পৌঁছাতে না পারে, তবে শত্রু যেন কিছু উদ্ধার করতে না পারে সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র আকাশ থেকে বোমা মেরে সেগুলো ধ্বংস করে দিতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিধ্বস্ত বিমানের কাছে পৌঁছাতে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো মরিয়া হয়ে ওঠে, কারণ ওই যুদ্ধবিমান থেকে প্রচুর গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া সম্ভব।

যদি একজন পাইলট ধরা পড়েন, তবে শত্রুরা তার কাছ থেকে গোপন তথ্য বের করার চেষ্টা করতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো মূল্যে এড়াতে চায়। তাই ভূপাতিত ক্রুদের কাছে পৌঁছানোর এই প্রতিযোগিতা অনেক সময় মিনিটের ব্যবধানে নির্ধারিত হয়।

সারভাইভাল, ইভেশন, রেজিস্ট্যান্স এবং এস্কেপ (এসইআরই) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পাইলটরা শিখেন কীভাবে শত্রুর সীমানার পেছনে লুকিয়ে থাকতে হয়, গোপনে যোগাযোগ করতে হয় এবং চরম চাপ সহ্য করতে হয়। তাদের মূল নীতি হলো— বন্দিত্ব এড়িয়ে জীবিত থাকা।

২০১২ সালে পূর্ব আফগানিস্তানে একটি মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর, ওই এলাকায় তালেবান বাহিনী থাকা সত্ত্বেও মার্কিন বাহিনী দ্রুত দুই পাইলটকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল।

বর্তমান সংকটে মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানে ভূপাতিত এফ-১৫ বিমানের নিখোঁজ পাইলট অন্ধকারের সুবিধা পাচ্ছেন। রাতের অপারেশন যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে থাকে, কারণ তাদের বাহিনীর কাছে অত্যন্ত উন্নত নাইট ভিশন টুলস এবং ইনফ্রারেড যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা পাইলটকে শত্রুর চোখ এড়িয়ে চলতে সাহায্য করে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার ইরান একটি এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এ ঘটনার পর ওই যুদ্ধবিমানে থাকা দুজনকেই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর আঘাতে একটি মার্কিন এ-১০ অ্যাটাক এয়ারক্রাফটও বিধ্বস্ত হয়।

বিষয়: আমেরিকাইরানগোয়েন্দা সংস্থাযুদ্ধইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।