Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

২৩ বছর পরও বাংলাদেশের ‘ভালো খেলার’ চ্যালেঞ্জ

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ৩৫
২৩ বছর পরও বাংলাদেশের ‘ভালো খেলার’ চ্যালেঞ্জ
ছবি : বিসিবি

২০০৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় দল যখন প্রথমবার অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল, তখন সেটিকে বিবেচনা করা হচ্ছিল ডেভিড ও গোলিয়াথের লড়াই হিসেবে। বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলে তখন তারকার হাট, আর টেস্ট ক্রিকেটে হাঁটি হাঁটি পা করা বাংলাদেশ লাল বলের ক্রিকেটে শিক্ষানবিশ এক দল। সিরিজ শুরুর আগে ক্রিকেট দুনিয়ায় তোলপাড় ফেলে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ডেভিড হুকস কটাক্ষ করেন বাংলাদেশের সামর্থ্য নিয়ে। অস্ট্রেলিয়াকে বাতলে দেন এক দিনের মধ্যেই টেস্ট জেতার কৌশল। দেশটিতে বাংলাদেশের আরেকটি টেস্ট সিরিজের আগে ঘুরেফিরে তাই চলে আসছে হুকসের সেই ঐতিহাসিক সমালোচনা। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বাস্তবতা এত বছর পরও আটকে আছে স্রেফ ভালো খেলার মানদণ্ডেই।

Advertisement

দেশ ছাড়ার আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শুরুতেই সাংবাদিকদের প্রশ্ন করেন, অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ কেমন খেললে তারা খুশি হবেন। উত্তরটা ‘ভালো খেলা’ আসতেই তিনি হেসে ফেলেন। এরপর নাজমুল ইতিবাচক ক্রিকেট খেলার কথা বলেন। তবে ২৩ বছরে এত এত পরিবর্তনের পরও তিনি জোর দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে তাদেরই হারানোর কথা বলতে পারেননি। অথচ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে চলছে ভাটার টান। এমন সময়েও বাংলাদেশ কেন জেতার চিন্তা করতে পারছে না, সেটা বিস্ময়করই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

হুকস যখন বাংলাদেশের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন, সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে তা খুব একটা ভুলও ছিল না। ম্যাচের পর ম্যাচ ইনিংস ব্যবধানে হেরে যাওয়া বাংলাদেশকে যে স্টিভ ওয়াহর অস্ট্রেলিয়া বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দেবে, এটা নিয়ে সংশয় ছিল না খেলোয়াড়দেরও। তবে কিছুটা লড়াইয়ের বাসনা ছিল তাদের মাঝে। হুকসের থিওরিকে ভুল প্রমাণ করে দুটি টেস্ট বাংলাদেশ নিতে পেরেছিল যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে। ইনিংস ব্যবধানে হারলেও সেটাই ছিল সেই সিরিজের ‘জয়’।

তবে এই ২০২৬ সালে এসেও বাংলাদেশ দল কি এভাবে চিন্তা করতে পারে বা স্বান্তনা খুঁজতে পারে? অবশ্যই নয়। বিশেষ করে মাসখানেক আগে পাকিস্তানকে ঘরের মাটিতে ধবলধোলাই করার পর নাজমুলের দলকে নিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে প্রত্যাশা যে আরও বেশি। গোটা সিরিজ থেকে নাহিদ রানার ছিটকে যাওয়া বড় এক ধাক্কা হলেও, সেটা রাতারাতি বাংলাদেশকে নবিশ দল বানিয়ে দিতে পারে না।

সমস্যা হল, মহা গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজের আগে সেরা অবস্থানে নেই বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েতে ভুলে ভরা এই সফরে নাহিদের সঙ্গে চোটে পড়েন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামও। তিনি অবশ্য দ্বিতীয় টেস্ট খেলবেন। তবে প্রথম ম্যাচে এই দুজন না থাকায় পেস বোলিংয়ের ধার কমে গেছে অনেকটাই। তৃতীয় পেসার সংকটে অবস্থা এতোটাই বেহাল যে, টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা মুসফিক হাসান এবং ছন্দহীন ইবাদত হোসেনকে নিতে হয়েছে দলে। অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে ম্যাচে ২০ উইকেট নেওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ তাই অনেকটাই বর্তাবে তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও সম্ভবত খালেদ আহমেদদের ওপর।

অধিনায়ক নাজমুল অবশ্য দেশ ছাড়ার আগে দৃঢ় কণ্ঠে বলেছেন, যারা আছেন তারা ২০ উইকেট নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তবে বাস্তবতা বলছে, ডারউইনের অনেকটাই বাংলাদেশের কাছাকাছি কন্ডিশনেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে বোলারদের। তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে এক হাসান বাদে কেউই পারেননি প্রভাব বিস্তার করতে। ইবাদত ও মুসফিকের বোলিং দেখে মনে হয়েছে, তারা বুঝি নেট অনুশীলনে বোলিং করছেন।

মড়ার ওপর খরার ঘা হয়ে এসেছে বিশেষজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলামের চোট। যদিও প্রথম ম্যাচে তার খেলা নিয়ে নেই সংশয়। তবে প্রস্তুতির ঘাটতি প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলার আগে তাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। দলের অন্য স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ ব্যাট হাতে প্রস্তুতি ম্যাচে শতক হাঁকিয়ে ভালো কিছুর আভাস দিয়েছেন।

বাদ রইল ব্যাটিং অর্ডার এবং কিপিং। সাদমান ইসলাম ও তানজিদ হাসানের প্রথম টেস্ট খেলা প্রায় নিশ্চিত। এর মধ্যে তানজিদ ক্যারিয়ারে খেলেছেনই মাত্র দুটি টেস্ট। তবে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কারণেই প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজেলউডদের সামনে তিনি রাখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আরেক ওপেনার সৌম্য প্রস্তুতি ম্যাচে আট ও চার নম্বর পজিশনে ব্যাট করে বলার মত কিছুই করতে পারেননি।

তিন, চার ও পাঁচে মুমিনুল হক, নাজমুল ও মুশফিকুর রহিমই ব্যাটিংয়ের মূল স্তম্ভ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ভালো কিছু করতে পারার অনেকটাই নির্ভর করছে এই তিন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের ওপর। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের দুই ইনিংসেই তাদের ব্যর্থতা এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে গুটিয়ে যাওয়া দলের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে।

আর ছয়ে সব ঠিক থাকলে থাকছেন লিটন দাসই। গত জুন থেকে মাঠের বাইরে থাকা এই ক্রিকেটার নাটকীয়ভাবে শেষ মুহূর্তে যুক্ত হয়েছেন প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে। প্রস্তুতি ম্যাচ না খেললেও তাকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী দল। ব্যাটিং ও কিপিং দুটিই তিনি করছেন সমানতালে।

ফলে বাংলাদেশের একাদশ দাঁড়াচ্ছে ছয় ব্যাটসম্যান, দুই স্পিনার এবং তিন পেসারের। নাহিদ ও শরীফুল না থাকলেও সম্ভাব্য সেরা দল নিয়েই তাই মাঠে নামছে সফরকারীরা। জয়ের দেখা না পেলেও অস্ট্রেলিয়াকে অন্তত সমানে সমান লড়াই উপহার দেওয়ার রসদ আছে দলে। প্রয়োজন মাঠে সেটা করে দেখানোর।

হুকসের কটাক্ষের জবাব প্রায় দুই যুগ আগে বাংলাদেশ দিয়েছিল টেস্ট ম্যাচকে একদিনের বেশি নিয়ে যেতে পেরে। এবার অবশ্য শুধু ভালো খেলে প্রশংসা কুড়ানোর বাস্তবতা নেই নাজমুলদের। নিজেদের প্রমাণ করার একমাত্র হাতিয়ার প্রতিপক্ষকে নাড়িয়ে দেওয়া, তাদের সম্মান আদায় করে নেওয়া এবং জয়ের লক্ষ্যে খেলা।

বাংলাদেশ কি পারবে ইতিহাস গড়তে? নাকি হারার আগেই হার মেনে লড়বে কেবল সম্মান রক্ষার জন্যই?

বিষয়: বিসিবিটেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপটেস্ট সিরিজঅস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটক্রিকেটবাংলাদেশ ক্রিকেটটেস্ট ক্রিকেট
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ