সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এসেছে কিছুটা পরিবর্তন। আলোচিত হচ্ছে দেশের ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের ফেরার বিষয়টি। জাতীয় দলের জার্সিতে তাকে আবার দেখা যাবে কিনা, তা নিয়েও চলছে জোর আলোচনা। কিন্তু সাকিব ফিরলে, তা কবে? এ নিয়ে চলছে জল্পনা–কল্পনা।

সরকার পতনের পর ভারত ও পাকিস্তানের মাটিতে দুটি সিরিজ খেলেছিলেন কিছুটা নীরবেই। তবে এরপর তাকে বাংলাদেশ দলের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে। কার্যত সেখানেই দেশের ক্রিকেটে সাকিবের শেষটা দেখে ফেলেছিলেন অনেকেই।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের এই সময় নিউজিল্যান্ড তাদের সব সেরা খেলোয়াড়দের আইপিএল এবং পিএসএলের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। এর মধ্য দেশটির শীর্ষ ক্রিকেটাররা একদিকে খেলার মধ্যে থাকবেন, অন্যদিকে অনভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা পাবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বাদ।

নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের এই প্যানেলে সদস্য হিসেবে থাকছেন সাবেক পেসার হাসিবুল হোসেন। তিনি আগের নির্বাচক প্যানেলেও দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া নতুন করে যুক্ত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরী।

মুশফিক তার পোস্টে লিখেছেন, “দুর্ভাগ্যবশত যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব ফ্লাইট জেদ্দায় ফিরে এসেছে এবং এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রীর সাথে অবস্থান করছি।”

১৯৯৪ সালের হতাশা পেরিয়ে বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের অভ্যাস। কিন্তু ২০২৬ সালে প্রথমবার, নিজের সিদ্ধান্তেই সেই মঞ্চে নেই বাংলাদেশ। নিরাপত্তা, রাজনীতি আর আইসিসির ভূমিকা- সব মিলিয়ে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা।

৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সমান পয়েন্টে নেদারল্যান্ডস রান রেটে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে বিশ্বকাপে পৌঁছেছে।

হঠাৎ করেই সাকিব আল হাসানকে ফেরানোর উদ্যোগ কেন? আসলেই কি সাকিবকে ফেরানো হবে? সাকিবের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান কী? সেই অবস্থানের কি বদল হয়েছে? সাকিবের ব্যাপারে সরকার কি এখন খানিকটা নরম? বিসিবি সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালেও সরকারের বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

সাকিবকে ফেরানোর উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত যেহেতু হয়েছে–ই, তাই বিসিবির উচিত, এ ব্যাপারে সব ধোঁয়াশা পরিস্কার করা। সরকারেরও উচিত এ ব্যাপারে কথা বলা, সাকিব ফিরলে তিনি কোনো হেনস্তার শিকার হবেন না—এটা নিশ্চিত করা।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না গেলে কী মাশুল গুনতে হবে? ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত কি আবেগপূর্ণ হচ্ছে, নাকি কৌশলগত? এর কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ ক্রিকেটে? খেলা হবে-এ নাইর ইকবালের সঙ্গে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম

ভারতে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে অনড় অবস্থানেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানও পরিস্কার—কোনোভাবেই ভারতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে পাঠানো হবে না। ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মন্তব্যেও ব্যাপারটি পরিষ্কার।

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বড় ধরনের নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রমতে, বাংলাদেশ দলের ভারত খেলা নিয়ে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা শঙ্কার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জাতীয় দলের সব ধরনের প্রস্তুতি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলে পাকিস্তানও একই পথে হাঁটবে—সরকারি সূত্রের বরাতে পাকিস্তানের টেলিভিশন চ্যানেল জিও সুপার এমন খবরই দিয়েছে। চ্যানেলটির দাবি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এ মুহূর্তে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আইসিসির বৈঠকগুলোর দিকে নজর রাখছে। এ ব্যাপারে

বিশ্বকাপ কি শেষ পর্যন্ত বয়কটই করবে বাংলাদেশ? আইসিসির প্রতিনিধি দল এসেছে, বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সেই বৈঠকের পর অগ্রগতি কতটা? মোস্তাফিজকে নিয়ে যে পরিস্থিতির উদ্ভব, ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের যে অনড় অবস্থান, এই অচলাবস্থা কি আইসিসির প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর মিটবে?

বিশ্বকাপ কি শেষ পর্যন্ত বয়কটই করবে বাংলাদেশ? আইসিসির প্রতিনিধি দল এসেছে, বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সেই বৈঠকের পর অগ্রগতি কতটা? মোস্তাফিজকে নিয়ে যে পরিস্থিতির উদ্ভব, ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের যে অনড় অবস্থান, এই অচলাবস্থা কি আইসিসির প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর মিটবে?