
বছরের শুরু থেকেই মাঠের বাইরের নানা ঘটনায় বেশ কঠিন সময় পার করতে হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। মূলত আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন পরিচালক কমিটির বিরুদ্ধে ক্লাবগুলোর অনাস্থা এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলাকে কেন্দ্র করে বেশ চাপের মুখে রয়েছে বিসিবি।

সরকার পতনের পর ভারত ও পাকিস্তানের মাটিতে দুটি সিরিজ খেলেছিলেন কিছুটা নীরবেই। তবে এরপর তাকে বাংলাদেশ দলের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে। কার্যত সেখানেই দেশের ক্রিকেটে সাকিবের শেষটা দেখে ফেলেছিলেন অনেকেই।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের এই সময় নিউজিল্যান্ড তাদের সব সেরা খেলোয়াড়দের আইপিএল এবং পিএসএলের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। এর মধ্য দেশটির শীর্ষ ক্রিকেটাররা একদিকে খেলার মধ্যে থাকবেন, অন্যদিকে অনভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা পাবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের স্বাদ।

নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের এই প্যানেলে সদস্য হিসেবে থাকছেন সাবেক পেসার হাসিবুল হোসেন। তিনি আগের নির্বাচক প্যানেলেও দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া নতুন করে যুক্ত হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরী।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলো বাংলাদেশকে ছাড়াই। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোনো বিশ্বকাপে ছিল না বাংলাদেশ। কিন্তু বিশ্বকাপ না খেলে, কী লাভ হলো বাংলাদেশের? বিষয়টি কী শুধুই আত্মগরিমার ব্যাপার? ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম কলকাতা গিয়েছিলেন বিশ্বকাপের দুটি ম্যাচ কাভার করতে।

টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে গত ৭ ফেব্রুয়ারি। ভারত ও শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে ভারত ও পাকিস্তান। বাংলাদেশ তো বিশ্বকাপ থেকে নামই প্রত্যাহার করে নিয়েছে। নিরাপত্তা–ইস্যুতে ভারতের মাটিতে নিজেদের ম্যাচগুলো খেলতে চায়নি বাংলাদেশ।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান খেলবে কি না, সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। গতকাল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) সভাপতি ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে দেখা করে তাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। এর আগে নকভি লাহোরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ন

হঠাৎ করেই সাকিব আল হাসানকে ফেরানোর উদ্যোগ কেন? আসলেই কি সাকিবকে ফেরানো হবে? সাকিবের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থান কী? সেই অবস্থানের কি বদল হয়েছে? সাকিবের ব্যাপারে সরকার কি এখন খানিকটা নরম? বিসিবি সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালেও সরকারের বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

সাকিবকে ফেরানোর উদ্যোগ বা সিদ্ধান্ত যেহেতু হয়েছে–ই, তাই বিসিবির উচিত, এ ব্যাপারে সব ধোঁয়াশা পরিস্কার করা। সরকারেরও উচিত এ ব্যাপারে কথা বলা, সাকিব ফিরলে তিনি কোনো হেনস্তার শিকার হবেন না—এটা নিশ্চিত করা।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ার দিন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে সাকিব আল হাসানকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশ ও দেশের বাইরে বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলার জন্য সাকিবকে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে জানানো হ

ক্রিকবাজের প্রতিবেদন
অবশেষে আশঙ্কাই সত্যি হলো। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল বাংলাদেশ। দীর্ঘ নাটকীয়তা ও টানাপোড়েনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে মূল আসরে অন্তর্ভুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না গেলে কী মাশুল গুনতে হবে? ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত কি আবেগপূর্ণ হচ্ছে, নাকি কৌশলগত? এর কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ ক্রিকেটে? খেলা হবে-এ নাইর ইকবালের সঙ্গে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম

ভারতের কোনো ভেন্যুতেই বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বড় ধরনের নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রমতে, বাংলাদেশ দলের ভারত খেলা নিয়ে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা শঙ্কার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জাতীয় দলের সব ধরনের প্রস্তুতি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বড় ধরনের নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রমতে, বাংলাদেশ দলের ভারত খেলা নিয়ে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা শঙ্কার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জাতীয় দলের সব ধরনের প্রস্তুতি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।