Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্রিকেট কি অস্ত্র?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৩৯
বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্রিকেট কি অস্ত্র?

টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে গত ৭ ফেব্রুয়ারি। ভারত ও শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে ভারত ও পাকিস্তান। বাংলাদেশ তো বিশ্বকাপ থেকে নামই প্রত্যাহার করে নিয়েছে। নিরাপত্তা–ইস্যুতে ভারতের মাটিতে নিজেদের ম্যাচগুলো খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। চেয়েছিল ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলতে, আইসিসি রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ নেই এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।

Advertisement

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা, না খেলা নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণটা বলা হয়েছিল ওই নিরাপত্তার জনিত সমস্যার বিষয়টিই। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই বাংলাদেশ ভারতের মাটিতে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ পর্যন্ত আইসিসি রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ বিশ্বকাপই খেলছে না।

আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরাতে রাজি হয়নি। তবে নিজেদের দাবির পক্ষে পাকিস্তানকে পাশে পেয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান তো একটা পর্যায়ে বিশ্বকাপ বয়কটের কথাও ভাবছিল। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেয় ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বয়কটের। তবে শেষ পর্যন্ত ‘বাংলাদেশের অনুরোধে’ পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কট থেকে সরে আসে।

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট এক প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি মিল রয়েছে। সেটি হলো, দুই দেশেরই ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন আছে। এবং প্রভাবশালী প্রতিবেশীর চাপের অভিযোগে ক্ষুব্ধ, নিজেদের পাল্টা অবস্থানও আছে। এসব কারণেই একটি বৈশ্বিক ক্রীড়া আসর দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংকটের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত ডিসেম্বরে বিপুল অর্থের বিনিময়ে টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)।

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয় ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ছবি: সংগৃহীত
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয় ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ছবি: সংগৃহীত

এই বাঁ হাতি বোলারকে দলে নেওয়ার ঘটনায় আপত্তি তোলেন ক্ষমতাসীন বিজেপির সাবেক বিধায়ক সঙ্গীত সোম। পরে আরও কয়েকজন রাজনীতিক এ সমালোচনায় যোগ দেন। কয়েক দিনের মধ্যেই মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার জন্য কেকেআরকে নির্দেশ দেয় ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

২০২৪ সালে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেলে ভারতে আশ্রয় নেন। এরেপর থেকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কর অবনতি হতে থাকে। ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর সহিংসতার খবর জোরালোভাবে প্রচার করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় ভারতের প্রতি ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের একটি অংশ। নয়াদিল্লি সম্পর্ক উন্নত করতে চাইলেও তাদের গণমাধ্যম ও নিম্নপর্যায়ের রাজনৈতিক তৎপরতা সেই প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলছে।

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট–দ্বৈরথ দারুণ দর্শকপ্রিয়, বিজ্ঞাপনের আয়ও দারুণ লোভনীয়। সেটির বড় অংশই ভারতের কাছে যায়। এই ম্যাচটি বয়কট করে পাকিস্তান ভারতকে অর্থনৈতিকভাবে আঘাত দিতে চেয়েছিল।

পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতের বিপক্ষে খেলতে সম্মত হয়েছে। সমঝোতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়নি, যদিও তারা টুর্নামেন্টের বাইরেই আছে।

দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, এ ঘটনাপ্রবাহ ক্রিকেটকে আরও গভীরভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেছে। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ছাড়া অধিকাংশ দলই আইসিসির অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল। শুরুতে সরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান সরকার হিসাব কষেছিল, ক্রীড়া ও আর্থিক ক্ষতির চেয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে অস্বস্তি সৃষ্টি করাই বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।

ভারতের ক্রিকেট বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও বাস্তবে তা শাসকদল বিজেপির প্রভাববলয়ে রয়েছে বলে সমালোচকদের অভিযোগ। ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত এর প্রধান ছিলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ, যিনি বর্তমানে আইসিসির দায়িত্বে আছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও পরিচালনা করছেন ওই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

দক্ষিণ এশিয়ার জটিল সম্পর্ক বোঝা সহজ নয়। যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও সন্ত্রাসের দীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধর্মীয় ও ভাষাগত বিরোধ।

অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, এ অঞ্চলের রাজনীতি ক্রমেই এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে যেখানে এক পক্ষের লাভ অন্য পক্ষের ক্ষতিতে রূপ নেয়। যেকোনো খেলারই লক্ষ্য ‘জয়’। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি যেন ক্রমেই সবার ‘পরাজিত’ হওয়ার খেলায় পরিণত হচ্ছে।

বিষয়: পাকিস্তানঅস্ত্রবাংলাদেশবিসিবিটি টোয়েন্টি বিশ্বকাপবিসিসিআইআইসিসিক্রিকেটভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ