Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

দেশে এখন পর্যন্ত কোনো নারীর ফাঁসি কার্যকর হয়নি কেন

তবে দীর্ঘদিনের গুঞ্জন রয়েছে, বাংলাদেশে বহু আগে একজন নারীর ফাঁসি কার্যকর হয়।

সামদানী হক নাজুম

সামদানী হক নাজুম

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১১: ২৮
দেশে এখন পর্যন্ত কোনো নারীর ফাঁসি কার্যকর হয়নি কেন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর আলোচনায় আসছে তার ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি।

Advertisement

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত শতাধিক নারীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় হলেও কারোর রায়ই কার্যকর হয়নি। এমনকি গাজীপুরের কাশিমপুরে থাকা একমাত্র নারী কারাগারে নেই কোনো ফাঁসির মঞ্চও।

বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ৯৪ জন নারীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আদালত। তবে দেশের সূচনালগ্ন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নারী বন্দির ফাঁসি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, লগবুকে নারী বন্দির ফাঁসি কার্যকরের কোনো ঘটনা লিপিবদ্ধ নেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন চরচাকে এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “আমাদের রেকর্ডে কোনো নারীর ফাঁসি কার্যকরের ঘটনা নেই। মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত নারী বন্দি যারা আছেন, তাদের অধিকাংশের মামলা আপিল বিভাগে আছে। আদালত যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে বলবেন, আমরা তাদেরটাই কার্যকর করব।”

তবে দীর্ঘদিনের গুঞ্জন রয়েছে, বাংলাদেশে বহু আগে একজন নারীর ফাঁসি কার্যকর হয়। তবে তথ্যটি খতিয়ে দেখে, এর স্বপক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ পায়নি কারা কর্তৃপক্ষ।

গত ৮০-এর দশকে এক নারীর ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি নেওয়া হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সেই ঘটনাটি লোকমুখে ফাঁসির ঘটনা হিসেবেই রটে যায়। তবে অনেক আগের ঘটনা হওয়ায় এ সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ।

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড: বাংলাদেশে কী বয়ে আনবেshekh hasina 2

যেসব কারণে কার্যকর হয়নি নারী বন্দিদের ফাঁসি

দেশে ৯৪ জন নারীর ফাঁসির আদেশ থাকলেও কার্যকর না হওয়ার বড় কারণ হলো আপিলের সুযোগ। বিচারিক আদালত তাদের ফাঁসির সাজা দিলেও, বেশিরভাগ মামলায় আপিল করেন দণ্ডপ্রাপ্তরা।

কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, “বিচারিক আদালত সর্বোচ্চ সাজা দিলেই তা কার্যকর হয়ে যাবে বিষয়টি তেমন নয়। এরপরও অনেকগুলো ধাপ পেরিয়ে ওই দণ্ডাদেশটি আমাদের কাছে আসে কার্যকরের জন্য। ক্ষেত্রবিশেষে এই জার্নিটা অনেক সময়সাপেক্ষ হয়ে থাকে। আবার এমনও হয় যে, আপিল বিভাগে গিয়ে সেই রায় পরিবর্তন হয়ে সাজা কমে যায়, ফাঁসির আদেশ হয়ে যায় যাবজ্জীবন। তাছাড়া বিচার চলাকালীন স্বাভাবিক মৃত্যু, রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমাও নারী বন্দিদের ফাঁসি কার্যকর না হওয়ার কারণ।”

নারী কারাগারে ফাঁসির মঞ্চ নেই কেন?

২০০৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম আলাদা নারী কারাগার উদ্বোধন করা হয় কাশিমপুরে। সেই কারাগারে কোনো ফাঁসির মঞ্চ রাখা হয়নি। তখন থেকে একটি ধারণার প্রচলন হয় যে, নারীদের ফাঁসি হয় না। এমনকি সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমেও নারী কারাগারে ফাঁসির মঞ্চ না থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কাশিমপুর নারী কারাগারে ফাঁসির মঞ্চ না থাকার কারণ হিসেবে ‘প্রয়োজনীয়তার অভাবকেই’ ব্যাখ্যা করেন অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল। তিনি চরচাকে বলেন, “নারীদের ফাঁসি দেওয়া হবে না। তাই কাশিমপুরে ফাঁসির মঞ্চ রাখা হয়নি–এটি একেবারেই ভুল ধারণা। আদালত থেকে পূর্ণাঙ্গ ডেথ রেফারেন্স পেলে আমার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করি। এখানে নারী পুরুষের কোনো আলাদা বিষয় নেই। কাশিমপুরে নারী কারাগারে ফাঁসির মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়নি, তাই করা হয়নি। কিন্তু নারীদের যে ফাঁসির মঞ্চ নেই–এই তথ্যও ঠিক নয়। পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে পুরুষ এবং নারীদের জন্য মঞ্চ রয়েছে।”

অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মোস্তাফা কামাল আরও বলেন, “একসময়ের এই কেন্দ্রীয় কারাগার এখন বিশেষ কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আমাদের নিয়ম রয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড এখান থেকেই কার্যকর করা হয়। এখন যদি কোনো নারী বন্দির ডেথ রেফারেন্স আসে, তাহলে তার ফাঁসি এই পুরাতন কারাগারের ফাঁসির মঞ্চেই কার্যকর হবে, এখানে তো কোনো সমস্যা নেই।”

বিষয়: বাংলাদেশনারীমৃত্যুদণ্ডমামলাকারাগারফাঁসিমৃত্যুআদালত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ