Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> জীবনচরচা

ফেসবুক, টিকটক আপনার মনে যে প্রভাব ফেলে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১৭: ৩০
ফেসবুক, টিকটক আপনার মনে যে প্রভাব ফেলে

আমাদের অনেকের জন্যই ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টিকটক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া দেখা প্রতিদিনের অভ্যাসের অংশ হয়ে গেছে। বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সদস্যদের খবর রাখা কিংবা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত থাকার অনুভূতি পাওয়া- এসব সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিবাচক দিক। তবে এর অন্ধকার দিকও আছে।

Advertisement

বৈশ্বিক জরিপে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে প্রায় ৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেছে। গড়ে একজন মানুষ প্রতিদিন প্রায় ১৪৫ মিনিট সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটায়। অর্থাৎ, দিনের বেশ বড় একটা সময় মানুষ ফেসবুক, টিকটকে কাটিয়ে দিচ্ছে। আর লম্বা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটানোর ফলেই লাগছে গণ্ডগোল।  

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম আমাদের মানসিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি উদ্বেগ, বিষণ্নতা, একাকীত্ব এবং ‘ফিয়ার অব মিসিং আউট’ বা FOMO (অন্যদের আনন্দ বা সুযোগ মিস করার ভয়) বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বিকশিত ও প্রভাবশালী হবে। কিন্তু যদি দেখেন এতে সময় কাটানোর পর আপনি বিষণ্নতা, হতাশা, ক্ষোভ বা একাকীত্ব অনুভব করছেন, তাহলে আপনার অনলাইন ব্যবহারের ধরন নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। নিজের ও প্রিয়জনদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য তাই বোঝা জরুরি যে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম কীভাবে আমাদের মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে! 

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনার ওপর ব্যাপক জোর দেয়। ছবি: ফ্রিপিক
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনার ওপর ব্যাপক জোর দেয়। ছবি: ফ্রিপিক

মানসিক স্বাস্থ্যের প্রভাব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার উদ্বেগ ও বিষণ্নতার অনুভূতি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। এর আসক্তিমূলক প্রকৃতি মস্তিষ্কের ‘রিওয়ার্ড সেন্টার’ সক্রিয় করে ডোপামিন নামক এক ধরনের রাসায়নিক নিঃসরণ ঘটায়, যা আমাদের ভালো লাগার অনুভূতি দেয়। আমরা যখন কিছু পোস্ট করি এবং তা লাইক বা কমেন্ট পায়, তখন ডোপামিনের মাত্রা বাড়ে। কিন্তু যখন প্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া পাই না আমরা, তখন আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়ে।

ফিল্টার ব্যবহার

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম শারীরিক সৌন্দর্য নিয়ে ভাবনার ওপর ব্যাপক জোর দেয়। ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট বা টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে সহজেই নিজের চেহারা পরিবর্তন বা ত্রুটি ঢেকে ফেলার জন্য নানা ফিল্টার ব্যবহার করা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও এটি অনেক সময় মজার, কিন্তু ক্রমাগত এসব পরিবর্তিত ছবির সংস্পর্শে থাকলে নিজের আসল চেহারা নিয়ে অসন্তুষ্টি ও নিজের বিষয়ে অবমূল্যায়ন তৈরি হতে পারে।

FOMO (Fear of Missing Out) 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের মনে করায় যে অন্যরা আমাদের চেয়ে বেশি আনন্দে আছে বা ভালো জীবনযাপন করছে। বাস্তবে এগুলো কারও জীবনের ‘হাইলাইট রিল’ অর্থাৎ শুধু সবচেয়ে ভালো অংশ। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই তুলনামূলক মনোভাব আমাদের মধ্যে অখুশি, নিজের ব্যাপারে অসন্তোষ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করে এবং আরও বেশি বেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে প্ররোচিত করে।

সাইবার বুলিং 

সাইবার বুলিং অর্থ হলো ইন্টারনেট বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বারবার কাউকে বিদ্রূপ, অপমান বা কষ্ট দেওয়া । ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৪৪% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী জানিয়েছিলেন যে, তারা অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়েছেন।

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষকও ইদানিং স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন বেশি। ছবি: ফ্রিপিক
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষকও ইদানিং স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন বেশি। ছবি: ফ্রিপিক

এটি আত্মসম্মান ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্মগুলো অনেক সময় এমন হয়রানির কেন্দ্র হয়ে ওঠে, যেখানে মিথ্যা তথ্য, গুজব বা অপমানজনক মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা তাই সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার একটি সীমার মধ্যে রাখার পক্ষে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষকও ইদানিং স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনার ওপর জোর দিচ্ছেন বেশি। সুতরাং ফেসবুক, টিকটকে বেশি বেশি সময় কাটালে সাধু সাবধান!

তথ্যসূত্র: ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ডেভিস হেলথ প্রোগ্রামের ওয়েবসাইট

বিষয়: ইন্টারনেটমানসিক স্বাস্থ্যজীবনধারাস্ন্যাপচ্যাটসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজীবনফেসবুকলাইফস্টাইলটিকটক
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ঘুম ও বিষণ্নতা জড়িয়ে আছে আষ্টেপৃষ্ঠে

    ঘুম ও বিষণ্নতা জড়িয়ে আছে আষ্টেপৃষ্ঠে

    আমাদের ২৪ ঘণ্টার সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ছন্দ মূলত আলোর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আমাদের চোখ মস্তিষ্কের প্রধান ঘড়িতে সংকেত পাঠায়, যা শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া—যেমন জেগে থাকা, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাকের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

  • মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়

    মেধা ও মানসিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখার উপায়

    বয়স বাড়লে মানসিক ক্ষমতা কমে যাওয়া খুব সাধারণ একটি বিষয়, যা বার্ধক্যের অন্যতম একটি ভীতিজনক দিক। তবে বুদ্ধিমত্তা বা চিন্তাশক্তি কমে যাওয়া কিন্তু একেবারেই অনিবার্য নয়।

  • সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব কতটা?

    গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!

  • সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    সম্রাট শাহজাহানের পছন্দের কাচ্চি বিরিয়ানি রাঁধে কীভাবে?

    ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, সম্রাট শাহজাহানের হেঁশেলেই আজকের মাটন বিরিয়ানির আদি রূপ রান্না হতো। আর এর প্রমাণ মেলে ওই আমলের কুকবুক ‘নুশখা-ই-শাহজাহানি’তে। ‘নি’মতনামা-ই-নাসির শাহি’, ‘আইন-ই-আকবরি’তেও অনেক খাবারের উল্লেখ থাকলেও ‘বিরিয়ানি’ পাওয়া যায় না।