
দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বিশ্ব। আর এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে এক ধরনের অদৃশ্য কিন্তু বিপুল চাপের সঙ্গে লড়াই করছেন নারীরা। যাকে বলা হচ্ছে ‘মেন্টাল লোড’। এটি হলো সেই অদৃশ্য মানসিক শ্রম, যা একটি পরিবার ও গৃহস্থালি সচল রাখতে প্রয়োজন।

যারা নিজের সাথে কথা বলেন, তারা মূলত নিজেদের চিন্তাগুলোকে ভাষার মাধ্যমে একটি কাঠামো দান করেন, যা তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে।

বাইপোলার ডিজঅর্ডার কোনো নতুন রোগ নয়, বরং এর শিকড় লুকিয়ে আছে প্রাচীন চিকিৎসাবিজ্ঞানে। গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস থেকে শুরু করে ফরাসি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই মানসিক অবস্থার বিচিত্র সব রূপ। আজকে আমরা জানাব কীভাবে বিষণ্নতা ও উন্মাদনার এই চক্রটি ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে।

কান্না কি সত্যিই দুর্বলতার চিহ্ন, নাকি মনের কষ্ট নিরাময়ের শক্তিশালী উপায়? সমাজের চাপে আমরা অনেকেই ছোটবেলা থেকে চোখের জল লুকাতে শিখে যাই। অথচ চোখের জলই হতে পারে আমাদের মানসিক প্রশান্তির সবচেয়ে বড় মহৌষধ।

আপনি কি ‘না’ বলার পরও ব্যাখ্যা দিতে থাকেন? হয়তো বুঝতেই পারছেন না-এটা আপনার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কেন এমন হয়, আর কীভাবে বদলাবেন-জানুন এই ভিডিওতে।

ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা করেছে স্কুল শিক্ষার্থী, ১৯০ জন। কলেজ পর্যায়ে ৯২ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৭ জন এবং মাদ্রাসায় ৪৪ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

সমাজ আমাদের শিখিয়েছে একা থাকা খারাপ। আসলেই কী তাই? কিছুক্ষেত্রে একা থাকা খারাপ। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে যারা স্বেচ্ছায় একা তাদের জন্য একাকীত্ব সুপারপাওয়ার হতে পারে। কিন্তু কিভাবে?

লুডুর ছক্কা না পড়ে যখন বারবার ‘এক’ আসে, ঠিক তখনই বোঝা যায়-হার কতটা কষ্টের। কিন্তু যদি এই পরাজয়ই হয়ে যায় আপনার সবচেয়ে বড় কামব্যাকের শুরু? এই ভিডিওতে জানুন কীভাবে ভাঙা মন, আত্ম-সন্দেহ আর ব্যর্থতাকে শক্তিতে বদলে আবার রাজার মতো ফিরে আসবেন।

মানসিক ট্রমা থেকে নিজেকে সারিয়ে তুলতে ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়েছেন মনোবিদরা। কীভাবে ব্যায়াম মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার করে সেই বিষয়টি মনের গলির এবারের পর্বে।

মন ভালো রাখা শুধু মনের ব্যাপার নয়—খাবারেও তার বড় ভূমিকা আছে। চিনি-চর্বিযুক্ত খাবার সাময়িক আনন্দ দিলেও দীর্ঘমেয়াদে মন ও শরীরের ক্ষতি করে। তবে কিছু পুষ্টিকর খাবার শরীরে বাড়াতে পারে ‘হ্যাপি হরমোন’।

অনেকেই আলো নিভতেই মুহূর্তের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন। আবার কেউ দীর্ঘ সময় ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কোনো এক অজানা চিন্তায় ডুব দেন, তারপর ঘুম আসে। দুই অবস্থাই আপনার ঘুমের মান নিয়ে ইঙ্গিত দিতে পারে। বিষয়টি আসলে ‘স্লিপ ল্যাটেন্সি’ বা ঘুম আসতে যে সময় লাগে, তার সঙ্গে সম্পর্কিত।

গান কী শুধু বিনোদনের মাধ্যম? বিজ্ঞান বলছে গান কেবল বিনোদন নয়, মানসিক থেরাপিরও কাজ করে। কিন্তু কিভাবে?

যারা আলো জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিলেন, তাদের শরীরে এই ভারসাম্যটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাদের স্ট্রেস রেসপন্স সক্রিয় অবস্থায় ছিল, যা হৃদস্পন্দনের হার বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং ইনসুলিনের প্রতি পেশির স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।

ভারতের পুনের জুপিটার হাসপাতালের মনোবিজ্ঞানী ডা. দীপ্তি কানাডে মোদক আরও বলেন, “একজন নার্সিসিস্ট কথা বলার সময় আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করেন, সঙ্গীর অনুভূতিকে খাটো করে দেখান কিংবা প্রতিটি দ্বন্দ্বে নিজেকে আবিষ্কার করে গল্প তৈরি করেন।

ভারতের পুনের জুপিটার হাসপাতালের মনোবিজ্ঞানী ডা. দীপ্তি কানাডে মোদক আরও বলেন, “একজন নার্সিসিস্ট কথা বলার সময় আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করেন, সঙ্গীর অনুভূতিকে খাটো করে দেখান কিংবা প্রতিটি দ্বন্দ্বে নিজেকে আবিষ্কার করে গল্প তৈরি করেন।