চরচা ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী ২৯ ডিসেম্বর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আমেরিকা যাচ্ছেন।
সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বৈঠকে নেতানিয়াহু ইরান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ও পরিকল্পনা ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরবেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে আমেরিকা ইরানের যে পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো বোমা ফেলে ধ্বংস করেছিল, ইরান সেগুলো পুনরায় মেরামত করার চেষ্টা করছে বলে ইসরায়েল মনে করছে।
ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষমতা আবার বাড়াচ্ছে। এর আগে যুদ্ধের সময়ে ইসরায়েল ইরানের এই ব্যবস্থার ক্ষতি করলেও ইরান এখন তা নতুন করে গড়ে তুলছে বলে আশঙ্কা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের।
বৈঠকে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন, ইরানের এই তৎপরতা শুধু ইসরায়েলের জন্য নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং মার্কিন স্বার্থের জন্যও বড় হুমকি। তাই ইরানের ওপর আবারও সামরিক হামলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে নতুন করে কোনো সামরিক অভিযান চালানো এবং আমেরিকা কীভাবে সরাসরি অংশ নিতে পারে বা ইসরায়েলকে সাহায্য করতে পারে–সেই বিষয়ে বিকল্প প্রস্তাব দেবেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী ২৯ ডিসেম্বর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আমেরিকা যাচ্ছেন।
সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বৈঠকে নেতানিয়াহু ইরান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য ও পরিকল্পনা ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরবেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুন মাসে আমেরিকা ইরানের যে পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো বোমা ফেলে ধ্বংস করেছিল, ইরান সেগুলো পুনরায় মেরামত করার চেষ্টা করছে বলে ইসরায়েল মনে করছে।
ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষমতা আবার বাড়াচ্ছে। এর আগে যুদ্ধের সময়ে ইসরায়েল ইরানের এই ব্যবস্থার ক্ষতি করলেও ইরান এখন তা নতুন করে গড়ে তুলছে বলে আশঙ্কা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের।
বৈঠকে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন, ইরানের এই তৎপরতা শুধু ইসরায়েলের জন্য নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্য এবং মার্কিন স্বার্থের জন্যও বড় হুমকি। তাই ইরানের ওপর আবারও সামরিক হামলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি আলোচনা করবেন।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে নতুন করে কোনো সামরিক অভিযান চালানো এবং আমেরিকা কীভাবে সরাসরি অংশ নিতে পারে বা ইসরায়েলকে সাহায্য করতে পারে–সেই বিষয়ে বিকল্প প্রস্তাব দেবেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।