চরচা ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে টার্গেট করে পরিচালিত হামলায় তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই শোক জানানো হয়। একইসঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘আন্তর্জাতিক আইন ও রীতির পরিপন্থী’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে টার্গেট করে চালানো হামলায় নিহত হওয়ার সংবাদে সরকার গভীরভাবে শোকাহত। এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন।”
বাংলাদেশ সরকার ভ্রাতৃপ্রতিম ইরানের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, কোনো সংঘাত স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না। কেবল সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবিচল থাকাই যেকোনো বিরোধ মীমাংসার একমাত্র পথ। শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তেহরানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের এক যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে এই ঘটনার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে টার্গেট করে পরিচালিত হামলায় তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই শোক জানানো হয়। একইসঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘আন্তর্জাতিক আইন ও রীতির পরিপন্থী’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে টার্গেট করে চালানো হামলায় নিহত হওয়ার সংবাদে সরকার গভীরভাবে শোকাহত। এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন।”
বাংলাদেশ সরকার ভ্রাতৃপ্রতিম ইরানের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, কোনো সংঘাত স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না। কেবল সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবিচল থাকাই যেকোনো বিরোধ মীমাংসার একমাত্র পথ। শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তেহরানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের এক যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে এই ঘটনার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।