চরচা প্রতিবেদক

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নতুন মহাপরিচালক হচ্ছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী। মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ডিজিএফআইয়ের বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পরবর্তী দায়িত্ব দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এদিকে, সেনাবাহিনীর শীর্ষ কয়েকটি পদে সম্প্রতি রদবদল করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে সেনাসদর থেকে এই সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। এর আগে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন তিনি।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) নতুন মহাপরিচালক হচ্ছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী। মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ডিজিএফআইয়ের বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পরবর্তী দায়িত্ব দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এদিকে, সেনাবাহিনীর শীর্ষ কয়েকটি পদে সম্প্রতি রদবদল করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে সেনাসদর থেকে এই সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
সূত্রে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান। এর আগে তিনি আর্টডকের জিওসি ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বর্তমান প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে রাষ্ট্রদূত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। এর আগে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন তিনি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।