চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট সম্প্রতি হ্যাক হয়েছে বলে জানা যায়। আজ শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি সেই পোস্টে জানান, হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে তার বিরুদ্ধে সেসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা পুরোপুরি ভুয়া ও মনগড়া।
পোস্টে আরও বলা হয়, “আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, আমার অ্যাকাউন্টটি সম্প্রতি হ্যাক করা হয়েছিল এবং সেখানে আমার নামে ভুয়া কিছু লেখা প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি জানার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

এই নেতা আরও লেখেন, “আমাদের বিরোধীরা যত ধরনের কৌশলই প্রয়োগ করুক না কেন, আমরা জনগণ ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক ও নীতিগত প্রচারণায়ই মনোযোগী থাকব সবসময়।”
এর আগে নারীদের নিয়ে জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে বিরুপ মন্তব্য আসে। তাতে নারীদের হেয় করে মন্তব্য পাওয়া যায়। তবে এ নিয়ে পরে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন এই নেতা।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট সম্প্রতি হ্যাক হয়েছে বলে জানা যায়। আজ শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি সেই পোস্টে জানান, হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট থেকে তার বিরুদ্ধে সেসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা পুরোপুরি ভুয়া ও মনগড়া।
পোস্টে আরও বলা হয়, “আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, আমার অ্যাকাউন্টটি সম্প্রতি হ্যাক করা হয়েছিল এবং সেখানে আমার নামে ভুয়া কিছু লেখা প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি জানার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

এই নেতা আরও লেখেন, “আমাদের বিরোধীরা যত ধরনের কৌশলই প্রয়োগ করুক না কেন, আমরা জনগণ ও দেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি ইতিবাচক ও নীতিগত প্রচারণায়ই মনোযোগী থাকব সবসময়।”
এর আগে নারীদের নিয়ে জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে বিরুপ মন্তব্য আসে। তাতে নারীদের হেয় করে মন্তব্য পাওয়া যায়। তবে এ নিয়ে পরে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন এই নেতা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।