চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘পলিসি সামিট ২০২৬’। আজ মঙ্গলবার সকালে সামিটটি শুরু হয়। এটি বিভিন্ন সেশনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে।
পলিসি সামিটে যোগ দিয়েছেন ভারতসহ ৩০টি দেশের প্রতিনিধি।
সামিটের শুরুতে কি-নোট উপস্থাপন করেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
এ সময় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রকাশ করে জামায়াত।
সামিটে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার , বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জনাব শাহদীন মালিক, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান প্রমুখ।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে চলছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘পলিসি সামিট ২০২৬’। আজ মঙ্গলবার সকালে সামিটটি শুরু হয়। এটি বিভিন্ন সেশনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে।
পলিসি সামিটে যোগ দিয়েছেন ভারতসহ ৩০টি দেশের প্রতিনিধি।
সামিটের শুরুতে কি-নোট উপস্থাপন করেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
এ সময় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রকাশ করে জামায়াত।
সামিটে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার , বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জনাব শাহদীন মালিক, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান প্রমুখ।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।