চরচা প্রতিবেদক

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জেনিফার জেরিনের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার ৪৫ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে পৃথক শুনানি করলেও আদালত তা নাকচ করে দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-দেলোয়ার হোসেন (৩৮), সৈয়দ আহমেদ শুভ (২৬), মো. শাহজাহান (৩২), অপূর্ব ইসলাম (২২),শরিফুল ইসলাম নিলয় (১৯), জাহিদ হাসান হৃদয় (২৫), মো. শাহেদ ভূইয়া (২০), বুলবুল আহমেদ (২৬), দীপক হাজরা (২৬),মান্না হোসেন (২৫), ইয়াছিন আরাফাত অর্নব (২৫), আশরাফ উদ্দিন (৩০),শাহ জালাল (২৮),শাহিন (২১), নাইম (২১), সাইদুর রহমান (১৯), ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয় (২১), রমজান (১৯),সাব্বির হোসেন (২৪), শাহিন (২৬),তরিকুল ইসলাম রিফাত (১৯),মঈন হোসেন রাজন (২২), অনিক হোসেন (২৭), তরিকুল ইসলাম (২৪), রিফাত হোসেন (২৩), হানিফ মিয়া (২৫), শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি (৩২),সোহানুল হক (২৪), তারেক আজিজ (২৮),সাজ্জাদ ইসলাম (১৯),শিপন (২৩), এজাজ হোসেন সিয়াম (২৪), উনায়েস ইমরান (২৪),মনিব আক্তার (২৫),হারিজ (২৮), সাব্বির হোসেন বিজয় (২২), এস এম মতিউর রহমান (৪৮),রাজন শেখ (৩১), আবু সাদিক রাকিব (২৯), মামুন ব্যাপারী (২৪),মজিবুর রহমান (৩২),সালাহ উদ্দিন ব্যাপারী (৪০),আমিনুল ইসলাম নাঈম (২৫),রাকিবুল হাসান রাকিব (২৩), ও আব্দুল্লাহ সবুজ (৩১)।
এ ঘটনায় বিটিআরসির সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ বাদী হয়ে শেরেবাংলা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে গতকাল বৃহস্পতিবার এনইআইআর সিস্টেম চালু করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ৫০০-৬০০ জন আন্দোলনকারী বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বিটিআরসি ভবনে হামলা চালান।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিটিআরসি ভবনে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং স্টাফবাসে হামলায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক লাখ টাকা।
শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. শামসুজ্জোহা সরকার আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা ছাড়াও আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন।

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিফিকেশন রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জেনিফার জেরিনের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার ৪৫ জনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে পৃথক শুনানি করলেও আদালত তা নাকচ করে দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-দেলোয়ার হোসেন (৩৮), সৈয়দ আহমেদ শুভ (২৬), মো. শাহজাহান (৩২), অপূর্ব ইসলাম (২২),শরিফুল ইসলাম নিলয় (১৯), জাহিদ হাসান হৃদয় (২৫), মো. শাহেদ ভূইয়া (২০), বুলবুল আহমেদ (২৬), দীপক হাজরা (২৬),মান্না হোসেন (২৫), ইয়াছিন আরাফাত অর্নব (২৫), আশরাফ উদ্দিন (৩০),শাহ জালাল (২৮),শাহিন (২১), নাইম (২১), সাইদুর রহমান (১৯), ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয় (২১), রমজান (১৯),সাব্বির হোসেন (২৪), শাহিন (২৬),তরিকুল ইসলাম রিফাত (১৯),মঈন হোসেন রাজন (২২), অনিক হোসেন (২৭), তরিকুল ইসলাম (২৪), রিফাত হোসেন (২৩), হানিফ মিয়া (২৫), শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি (৩২),সোহানুল হক (২৪), তারেক আজিজ (২৮),সাজ্জাদ ইসলাম (১৯),শিপন (২৩), এজাজ হোসেন সিয়াম (২৪), উনায়েস ইমরান (২৪),মনিব আক্তার (২৫),হারিজ (২৮), সাব্বির হোসেন বিজয় (২২), এস এম মতিউর রহমান (৪৮),রাজন শেখ (৩১), আবু সাদিক রাকিব (২৯), মামুন ব্যাপারী (২৪),মজিবুর রহমান (৩২),সালাহ উদ্দিন ব্যাপারী (৪০),আমিনুল ইসলাম নাঈম (২৫),রাকিবুল হাসান রাকিব (২৩), ও আব্দুল্লাহ সবুজ (৩১)।
এ ঘটনায় বিটিআরসির সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ বাদী হয়ে শেরেবাংলা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে গতকাল বৃহস্পতিবার এনইআইআর সিস্টেম চালু করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ৫০০-৬০০ জন আন্দোলনকারী বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বিটিআরসি ভবনে হামলা চালান।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিটিআরসি ভবনে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং স্টাফবাসে হামলায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক লাখ টাকা।
শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. শামসুজ্জোহা সরকার আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা ছাড়াও আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।