চরচা প্রতিবেদক

প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে চাল এবং প্রতি কেজি ৩৪ টাকা দরে ধানের দাম নির্ধারণ করে চলতি আমন মৌসুমে ৭ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য কিনবে সরকার। রোববার সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় চলতি আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি আমন মৌসুমে মোট ৭ লাখ খাদ্যশস্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।
খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারের ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার আমন মওসুমের ধানচাল সংগ্রহ করবে। এবার ৬ লাখ টন সেদ্ধ চাল, ৫০ হাজার টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার টন ধান সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সেদ্ধ চাল প্রতিকেজি ৫০ টাকা, আতপ ৪৯ টাকা এবং ধান ৩৪ টাকা করে সংগ্রহ করা হবে। গত আমন মওসুমে ধান ৩৩ টাকা, সেদ্ধ চাল ৪৭ টাকা এবং আতপ চাল ৪৬ টাকা দরে সংগ্রহ করা হয়েছিল।

প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে চাল এবং প্রতি কেজি ৩৪ টাকা দরে ধানের দাম নির্ধারণ করে চলতি আমন মৌসুমে ৭ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য কিনবে সরকার। রোববার সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় চলতি আমন মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি আমন মৌসুমে মোট ৭ লাখ খাদ্যশস্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।
খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারের ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকার আমন মওসুমের ধানচাল সংগ্রহ করবে। এবার ৬ লাখ টন সেদ্ধ চাল, ৫০ হাজার টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার টন ধান সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সেদ্ধ চাল প্রতিকেজি ৫০ টাকা, আতপ ৪৯ টাকা এবং ধান ৩৪ টাকা করে সংগ্রহ করা হবে। গত আমন মওসুমে ধান ৩৩ টাকা, সেদ্ধ চাল ৪৭ টাকা এবং আতপ চাল ৪৬ টাকা দরে সংগ্রহ করা হয়েছিল।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।