চরচা প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করে করা রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেন।
তবে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির আইনজীবী।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে নিজের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
গত ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তাকে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
আপিলে হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে তার আপিল মঞ্জুর করে ইসি। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করে করা রিট আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার শুনানি শেষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেন।
তবে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির আইনজীবী।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে নিজের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।
গত ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তাকে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
আপিলে হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে তার আপিল মঞ্জুর করে ইসি। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।