চরচা ডেস্ক

ইরানের অন্যতম প্রধান এবং স্পর্শকাতর পারমাণবিক স্থাপনা ‘নাতাঞ্জে’ আমেরিকা ও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। আজ সোমবার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৩৫টি দেশের বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠক চলাকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের বিশেষ প্রতিনিধি রেজা নাজাফি।
রেজা নাজাফি বলেন, “গতকাল রোববার তারা আবারও ইরানের শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে থাকা পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে।”
রয়টার্সের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কোন স্থাপনায় হামলা হয়েছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি উত্তর দেন, নাতাঞ্জ।
তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো ঝুঁকি আছে কি না, সে বিষয়ে ইরান এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এদিকে, ইরানের এই দাবির বিপরীতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে ইরানের কোনো পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা ইঙ্গিত নেই। তবে তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইরানের অন্যতম প্রধান এবং স্পর্শকাতর পারমাণবিক স্থাপনা ‘নাতাঞ্জে’ আমেরিকা ও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান। আজ সোমবার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৩৫টি দেশের বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠক চলাকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের বিশেষ প্রতিনিধি রেজা নাজাফি।
রেজা নাজাফি বলেন, “গতকাল রোববার তারা আবারও ইরানের শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে থাকা পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে।”
রয়টার্সের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কোন স্থাপনায় হামলা হয়েছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সরাসরি উত্তর দেন, নাতাঞ্জ।
তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো ঝুঁকি আছে কি না, সে বিষয়ে ইরান এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এদিকে, ইরানের এই দাবির বিপরীতে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে ইরানের কোনো পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা ইঙ্গিত নেই। তবে তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।