চরচা প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সবাই দোষী নন উল্লেখ করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, যারা সত্যিই নিরপরাধ, তাদের যাচাই-বাছাই করে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া উচিত। ।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারে আয়োজিত ঢাকা–৫ আসনের প্রার্থী পরিচিতি ও সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নুর বলেন, ‘’আগামী নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ তৈরি করবে। গত এক দশক ধরে মানুষ নানা অবিচার ও দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে, যা থামাতে হলে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে।‘’
তিনি আরও বলেন, ‘’ফ্যাসিস্ট শাসন ফিরে এলে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে। তাই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।‘’
সমাবেশে নুর বিএনপি ও জামায়াতকে কোনো সহিংসতায় না জড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক আন্দোলন হওয়া উচিত শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রেখে গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনার প্রয়োজন রয়েছে।

আওয়ামী লীগের সবাই দোষী নন উল্লেখ করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, যারা সত্যিই নিরপরাধ, তাদের যাচাই-বাছাই করে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া উচিত। ।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টারে আয়োজিত ঢাকা–৫ আসনের প্রার্থী পরিচিতি ও সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নুর বলেন, ‘’আগামী নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। এই নির্বাচন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ তৈরি করবে। গত এক দশক ধরে মানুষ নানা অবিচার ও দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে, যা থামাতে হলে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে।‘’
তিনি আরও বলেন, ‘’ফ্যাসিস্ট শাসন ফিরে এলে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে। তাই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।‘’
সমাবেশে নুর বিএনপি ও জামায়াতকে কোনো সহিংসতায় না জড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক আন্দোলন হওয়া উচিত শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রেখে গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনার প্রয়োজন রয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।