চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসভবনের আশপাশে গভীর রাতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ইনামে হামীমের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। আজ সোমবার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে জানান, গভীর রাতে হামীমকে তারেক রহমানের বাসার আশপাশে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখা যায়। আটক করার পর তার কাছে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। তিনি কেন ও কী উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন–তা উদঘাটনের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে দাবি করেন, হামীম শুধুমাত্র তারেক রহমানকে দেখতে সেখানে গিয়েছিলেন, অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। পাশাপাশি তিনি জামিন আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে জানায়, রিমান্ডে নিলে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন সম্ভব হবে। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাজধানীর গুলশানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসভবনের আশপাশে গভীর রাতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ইনামে হামীমের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। আজ সোমবার বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে জানান, গভীর রাতে হামীমকে তারেক রহমানের বাসার আশপাশে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখা যায়। আটক করার পর তার কাছে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। তিনি কেন ও কী উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন–তা উদঘাটনের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে দাবি করেন, হামীম শুধুমাত্র তারেক রহমানকে দেখতে সেখানে গিয়েছিলেন, অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। পাশাপাশি তিনি জামিন আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে জানায়, রিমান্ডে নিলে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন সম্ভব হবে। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।