
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জুলাই আন্দোলনে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সেখানে অবস্থিত আওয়ামীলীগের ৫০০ থেকে ৭০০ সন্ত্রাসী মো. আফজাল নাছেরের নিদের্শে নির্বিচারে এলোপাথারি গুলি চালায়।

অভিযোগে আরও জানানো হয়েছে, বিবাদী পক্ষ বিভিন্ন দেশে শ্রমিক পাচার করে তাদের আটকে রাখা, কাজ না দেওয়া এবং বেতন না দিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। অনেক শ্রমিককে মানবেতর অবস্থায় শ্রম শোষণের শিকার হতে হয়েছে।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মিষ্টি সুবাসকে দুই দিন এবং অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দূর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। এর আগে পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ এলাকায় ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলার নির্দেশ দেন মামুন খালেদ।

মামলায় সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনসহ মোট ১০৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে তাকে ডিবির তদন্তাধীন পল্টন থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। পল্টন থানার মামলাটি মানবপাচার মামলা। উনি ওই মামলার তিন নম্বর এজাহরভুক্ত আসামি। এই মামলায় মোট ১০১ জন আসামি রয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে–খুলনার সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার কমপ্লেক্সটির ইলেকট্রিশিয়ান আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করেন।

আদালতে আসামিদের হাজির করা হলে নুরুজ্জামান মিঠু স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই মামলার অপর আসামি সাকিব উদ্দিনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শ্যুটার রহিমের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

গত ২১ জানুয়ারি মধ্যরাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরদিন রুবেলের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। গত বুধবার তাকে আরও তিন দিনের রিমান্ড দেয় আদালত।

রুবেল আদালতে দাবি করেন, তিনি ভুলভাবে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বক্তব্য–“যে রুবেলকে খোঁজা হচ্ছে আমি সে রুবেল না। আমি একটি চাকরি করি এবং এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত নই।”

গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকার শারমিন একাডেমিতে এক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।

ঢাকার নয়াপল্টন এলাকার শারমিন একাডেমিতে এক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।