চরচা প্রতিবেদক

খুচরা বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কারসাজির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।
সংগঠনের সভাপতি মুহম্মদ আমিরুল হক জানান, এই মুহূর্তে তারা মূল্যের চেয়ে এলপিজি খাতের সংকট মোকাবিলা করতেই বেশি আগ্রহী।
আজ বৃহস্পতিবার সিরডাপ মিলনায়তনে লোয়াব এবং এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘রেগুলেটরি চ্যালেঞ্জেস ইন দ্য এলপিজি মার্কেট’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সেমিনারে লোয়াব সভাপতি মুহম্মদ আমিরুল হক ব্যবসায়ীদের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে ব্যবসায়ীদের ২৮টি সরকারি সংস্থা থেকে লাইসেন্স নিতে হয়। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে তিনি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসিকে একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানান। এছাড়া তিনি এলপিজির দাম কমাতে দেশে একটি এলপিজি প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপনের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
সেমিনারে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম তামিম একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, যেখানে তিনি এই খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর জোর দেন।
মূল প্রবন্ধে উঠে এসেছে, কীভাবে বাংলাদেশে এলপিজি অপারেটররা বর্তমানে একটি জটিল ও ব্যয়বহুল লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমন্বিত ব্যবস্থার অভাবে একজন অপারেটরকে ১০টির বেশি দপ্তর থেকে প্রায় ২৬টি আলাদা লাইসেন্স নিতে হয়, যা প্রতি বছর নবায়ন করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।
লাইসেন্স ফি ও আনুষঙ্গিক মিলিয়ে একটি কোম্পানির বছরে গড়ে দেড় কোটি টাকা খরচ হয়। এর মধ্যে বিইআরসি ও বিআইডব্লিউটিএ’র ফি সবচেয়ে বেশি।
এলপিজি প্ল্যান্টকে ‘সবুজ’ থেকে ‘হলুদ’ ক্যাটাগরিতে নেওয়ায় পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স ও পরিদর্শনের চাপ বেড়েছে, যা বিশেষজ্ঞদের মতে অপ্রয়োজনীয়।
সেমিনারে বক্তারা ভিয়েতনাম, তুরস্ক, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে কেন্দ্রীয় জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ডিজিটাল কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি জানানো হয়। এছাড়া নিজস্ব ল্যাবের বদলে বুয়েট, কুয়েট বা চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় টেস্টিং সুবিধা ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞরা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণের চেয়ে ঝুঁকিভিত্তিক আধুনিক রেগুলেটরি কাঠামো গ্রহণ করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন।

খুচরা বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কারসাজির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)।
সংগঠনের সভাপতি মুহম্মদ আমিরুল হক জানান, এই মুহূর্তে তারা মূল্যের চেয়ে এলপিজি খাতের সংকট মোকাবিলা করতেই বেশি আগ্রহী।
আজ বৃহস্পতিবার সিরডাপ মিলনায়তনে লোয়াব এবং এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘রেগুলেটরি চ্যালেঞ্জেস ইন দ্য এলপিজি মার্কেট’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সেমিনারে লোয়াব সভাপতি মুহম্মদ আমিরুল হক ব্যবসায়ীদের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে ব্যবসায়ীদের ২৮টি সরকারি সংস্থা থেকে লাইসেন্স নিতে হয়। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে তিনি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসিকে একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানান। এছাড়া তিনি এলপিজির দাম কমাতে দেশে একটি এলপিজি প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপনের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
সেমিনারে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম তামিম একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, যেখানে তিনি এই খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর জোর দেন।
মূল প্রবন্ধে উঠে এসেছে, কীভাবে বাংলাদেশে এলপিজি অপারেটররা বর্তমানে একটি জটিল ও ব্যয়বহুল লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমন্বিত ব্যবস্থার অভাবে একজন অপারেটরকে ১০টির বেশি দপ্তর থেকে প্রায় ২৬টি আলাদা লাইসেন্স নিতে হয়, যা প্রতি বছর নবায়ন করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল।
লাইসেন্স ফি ও আনুষঙ্গিক মিলিয়ে একটি কোম্পানির বছরে গড়ে দেড় কোটি টাকা খরচ হয়। এর মধ্যে বিইআরসি ও বিআইডব্লিউটিএ’র ফি সবচেয়ে বেশি।
এলপিজি প্ল্যান্টকে ‘সবুজ’ থেকে ‘হলুদ’ ক্যাটাগরিতে নেওয়ায় পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স ও পরিদর্শনের চাপ বেড়েছে, যা বিশেষজ্ঞদের মতে অপ্রয়োজনীয়।
সেমিনারে বক্তারা ভিয়েতনাম, তুরস্ক, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে কেন্দ্রীয় জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ডিজিটাল কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর দাবি জানানো হয়। এছাড়া নিজস্ব ল্যাবের বদলে বুয়েট, কুয়েট বা চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় টেস্টিং সুবিধা ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞরা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রণের চেয়ে ঝুঁকিভিত্তিক আধুনিক রেগুলেটরি কাঠামো গ্রহণ করার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।