চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোতালেব শিকদার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা এলাকায় প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে। মোতালেব শিকদার এনসিপির শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক বলে জানা গেছে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম চরচাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘গুলিটি মোতালেব শিকদারের কানকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে বেরিয়ে গেছে। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’’
এদিকে, ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু জানিয়েছেন, এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং এনসিপি শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে একটু আগে গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোতালেব শিকদার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা এলাকায় প্রকাশ্যে এ ঘটনা ঘটে। মোতালেব শিকদার এনসিপির শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক বলে জানা গেছে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম চরচাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘গুলিটি মোতালেব শিকদারের কানকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে বেরিয়ে গেছে। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’’
এদিকে, ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু জানিয়েছেন, এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং এনসিপি শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে একটু আগে গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।