চরচা ডেস্ক

শীর্ষ উৎপাদক দেশ কাতারে এলএনজি উৎপাদন বন্ধ হওয়ার রেশ পড়েছে ভারতের শিল্প খাতে। ড্রোন হামলার জেরে কাতার এনার্জি তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন স্থগিত করার পর ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে জোগান স্বাভাবিক রাখতে শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে দেশটির জ্বালানি কোম্পানিগুলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ড্রোন হামলার পর কাতার এনার্জি তাদের এলএনজি উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কাতার-নির্ভর আমদানিকারক হওয়ায় ভারত এই সংকটে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ভারতের শীর্ষ গ্যাস বিপণনকারী সংস্থা ‘গেইল’ এবং ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন গত সোমবার রাত থেকেই গ্রাহকদের সরবরাহ কমানোর বিষয়ে অবহিত করেছে।
শিল্পভেদে এই গ্যাস সরবরাহ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এমনভাবে সরবরাহের পরিমাণ নির্ধারণ করেছে, যাতে চুক্তি অনুযায়ী গ্রাহকদের কোনো জরিমানা দিতে না হয়। অর্থাৎ, চুক্তিতে উল্লিখিত সর্বনিম্ন সীমার মধ্যেই এই সরবরাহ বজায় রাখা হচ্ছে।
এলএনজির এই ঘাটতি মেটাতে গেইল, পেট্রোনেট এলএনজি এবং ইন্ডিয়ান অয়েলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জরুরি ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ক্রয়ের পরিকল্পনা করছে। তবে বর্তমানে বিশ্ববাজারে তাৎক্ষণিক মূল্য, জাহাজ ভাড়া এবং বিমা খরচ একযোগে বেড়ে যাওয়ায় বিষয়টি বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শীর্ষ উৎপাদক দেশ কাতারে এলএনজি উৎপাদন বন্ধ হওয়ার রেশ পড়েছে ভারতের শিল্প খাতে। ড্রোন হামলার জেরে কাতার এনার্জি তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন স্থগিত করার পর ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে জোগান স্বাভাবিক রাখতে শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে দেশটির জ্বালানি কোম্পানিগুলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ড্রোন হামলার পর কাতার এনার্জি তাদের এলএনজি উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কাতার-নির্ভর আমদানিকারক হওয়ায় ভারত এই সংকটে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ভারতের শীর্ষ গ্যাস বিপণনকারী সংস্থা ‘গেইল’ এবং ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন গত সোমবার রাত থেকেই গ্রাহকদের সরবরাহ কমানোর বিষয়ে অবহিত করেছে।
শিল্পভেদে এই গ্যাস সরবরাহ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এমনভাবে সরবরাহের পরিমাণ নির্ধারণ করেছে, যাতে চুক্তি অনুযায়ী গ্রাহকদের কোনো জরিমানা দিতে না হয়। অর্থাৎ, চুক্তিতে উল্লিখিত সর্বনিম্ন সীমার মধ্যেই এই সরবরাহ বজায় রাখা হচ্ছে।
এলএনজির এই ঘাটতি মেটাতে গেইল, পেট্রোনেট এলএনজি এবং ইন্ডিয়ান অয়েলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জরুরি ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ক্রয়ের পরিকল্পনা করছে। তবে বর্তমানে বিশ্ববাজারে তাৎক্ষণিক মূল্য, জাহাজ ভাড়া এবং বিমা খরচ একযোগে বেড়ে যাওয়ায় বিষয়টি বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গণমাধ্যমকে জানান, আগের সরকারের সময়ে নেওয়া ১ হাজার ৩০০টির অধিক উন্নয়ন ও অবকাঠামো প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর অনিয়ম ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কমিটি করা হয়েছে।