Advertisement Banner

ট্রাম্পের ‘গাজা শান্তি পরিষদে’ ব্লেয়ার, রুবিওসহ যারা থাকছেন

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
ট্রাম্পের ‘গাজা শান্তি পরিষদে’ ব্লেয়ার, রুবিওসহ যারা থাকছেন
ইসরায়েলের হামলায় বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা। ছবি: রয়টার্স

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারক করতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বানানো ‘বোর্ড অব পিস’ বা ‘শান্তি পরিষদের’ সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার সদস্য হিসেবে থাকছেন এই শান্তি পরিষদে। হোয়াইট হাউস বলেছে, এই শান্তি পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিজেই থাকবেন ট্রাম্প।

গত বছরের শেষ দিকে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। অক্টোবরে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় সই করে। পরিকল্পনায় বলা হয়, একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সংস্থার ওপর তদারকির দায়িত্ব পালন করবে আন্তর্জাতিক ‘বোর্ড অব পিস’। এই পরিষদ অন্তর্বর্তী সময়ে গাজার শাসনব্যবস্থা তদারকি করবে।

হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে, শান্তি পরিষদের সদস্যদের মধ্যে আরও থাকছেন আমেরিকান ধনকুবের মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল। এ ছাড়া জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সাবেক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ গাজায় উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে সদস্যদের কার কী দায়িত্ব হবে–তা জানানো হয়নি।

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই শান্তি পরিষদ গঠন করা হয়। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে গত বৃহস্পতিবার এ পরিষদ গঠনের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।

গত সেপ্টেম্বরে গাজা নিয়ে ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। সেখানে গাজায় যুদ্ধবিরতির রূপরেখা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, উপত্যকায় একটি টেকনোক্র্যাট প্রশাসন গঠন ও একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েন। সেই সঙ্গে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের কথাও বলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ কার্যকর হয়।

তবে অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ফিলিস্তিনে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত শতাধিক শিশুসহ ৪৪০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

সম্পর্কিত