চরচা প্রতিবেদক

ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার পরিবার এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৪৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে সংস্থাটির উপপরিচালক (গোয়েন্দা) মো. হোসাইন শরীফ তাদের ব্যাংকের হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত হিসাব থেকে টাকা তুলে অন্যত্র স্থানান্তর ও বিদেশে পাচারের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। অনুসন্ধানের তথ্য বলছে, নাছিম ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন ও জমা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, এই ব্যাংক হিসাবসমূহ থেকে অর্থ স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য এসব ব্যাংকের হিসাব সমূহের লেনদেন স্থগিত বা অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।

ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার পরিবার এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৪৬টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে সংস্থাটির উপপরিচালক (গোয়েন্দা) মো. হোসাইন শরীফ তাদের ব্যাংকের হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত হিসাব থেকে টাকা তুলে অন্যত্র স্থানান্তর ও বিদেশে পাচারের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। অনুসন্ধানের তথ্য বলছে, নাছিম ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন ও জমা করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, এই ব্যাংক হিসাবসমূহ থেকে অর্থ স্থানান্তর হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য এসব ব্যাংকের হিসাব সমূহের লেনদেন স্থগিত বা অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।