চরচা প্রতিবেদক

‘মঙ্গল’ বাদ, ‘আনন্দ’ বাদ, এবার বাংলা নতুন বর্ষবরণে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। আজ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, ‘‘পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম নিয়ে যে বিতর্ক, আমরা তার অবসান চাই। পহেলা বৈশাখ মূলত সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও কৃষকের উৎসব। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ গণতান্ত্রিক সরকার। গণতন্ত্রে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য থাকবে। এখন থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।’’
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘‘পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণসহ অন্যান্য সকল আয়োজনই থাকবে। চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার যে যে বৈশিষ্ট্য আছে, সবই থাকবে।’’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ১৯৮৯ সালে প্রথম যে শোভাযাত্রার আয়োজন করে সেটির নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ করা হয়। এই সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে মতভেদ তৈরি হয়। বর্তমান সরকার বর্ষবরণের নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ করে তৃতীয় পথ বেছে নিলো।

‘মঙ্গল’ বাদ, ‘আনন্দ’ বাদ, এবার বাংলা নতুন বর্ষবরণে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। আজ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, ‘‘পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম নিয়ে যে বিতর্ক, আমরা তার অবসান চাই। পহেলা বৈশাখ মূলত সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও কৃষকের উৎসব। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ গণতান্ত্রিক সরকার। গণতন্ত্রে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য থাকবে। এখন থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।’’
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ‘‘পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণসহ অন্যান্য সকল আয়োজনই থাকবে। চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার যে যে বৈশিষ্ট্য আছে, সবই থাকবে।’’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ১৯৮৯ সালে প্রথম যে শোভাযাত্রার আয়োজন করে সেটির নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ করা হয়। এই সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে মতভেদ তৈরি হয়। বর্তমান সরকার বর্ষবরণের নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ করে তৃতীয় পথ বেছে নিলো।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়।