Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

কেন ইরানে হামলা নাও করতে পারে আমেরিকা

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৪৪
কেন ইরানে হামলা নাও করতে পারে আমেরিকা

ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উৎসাহিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থার হুমকি দিচ্ছেন। এমন এক সময়ে এই হুমকি আসছে, যখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির ধর্মীয় শাসকরা গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভের মুখে পড়েছে। ট্রাম্পের এই বারবার সতর্কবার্তা ওয়াশিংটনে একটি পরিচিত প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে ইরানে আমেরিকার হস্তক্ষেপ আসলে দেখতে কেমন হবে? বিশেষ করে যখন এই অঞ্চলে অতীতে আমেরিকার নেওয়া পদক্ষেপগুলো খুব একটা সফল হয়নি।

Advertisement

প্রেসিডেন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাব সত্ত্বেও পেন্টাগন এখন পর্যন্ত ওই অঞ্চলে কোনো বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেনি। আমেরিকার উপসাগরীয় মিত্ররাও ইরানের ওপর মার্কিন হামলার জন্য নিজেদের মাটি ছেড়ে দিতে খুব একটা আগ্রহী নয়। গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানি বিমান হামলায় তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মার্কিন সামরিক হামলা উল্টো সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ইরান সরকারকে অভ্যন্তরীণ সমর্থন পেতে সহায়তা করতে পারে। মার্কিন হামলা বিক্ষোভকে ‘বিদেশি চক্রান্ত’ হিসেবে প্রমাণ করতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকা হামলা করলে তা বাহ্যিক হুমকির বিরুদ্ধে ইরানের আঞ্চলিক জোটকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

হিজবুল্লাহ কী, এদের কাজ কী?hizbullah

লজিস্টিক বা কৌশলগত সমস্যা
ট্রাম্প ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বললেও ওই অঞ্চলে কোনো সামরিক পূর্ব-প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না। ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা উপস্থিতি কমিয়েছে আমেরিকা, যা সামরিক বিকল্পগুলোকে আরও সীমিত করে দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

গত অক্টোবর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার কোনো বিমানবাহী রণতরী নেই। গ্রীষ্মকালে ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’কে ক্যারিবীয় অঞ্চলে এবং শরতে ‘ইউএসএস নিমিৎস’কে আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, ইরানের লক্ষ্যবস্তু বা খামেনির ওপর কোনো বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ও মিত্র দেশগুলোর বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে হবে তাদের।

সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি নিতে হবে। একই সাথে এসব দেশ ও ঘাঁটিগুলোকে ইরানের পাল্টা হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

দ্বিতীয় বিকল্প হতে পারে গত জুনে ইরানের ফোরদো ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক কেন্দ্রে চালানো দূরপাল্লার বি-২ বোমারু বিমানের মতো হামলা। কিন্তু জনবহুল শহুরে এলাকায় এ ধরনের হামলা ভয়াবহ প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। যদিও আমেরিকা তার মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো ব্যবহার না-ও করে, তবুও ইরানি নেতারা হুমকি দিয়েছেন যে, আক্রান্ত হলে তারা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজগুলোতে হামলা চালাবে।

ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তেহরান সীমিত আকারে ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে জানা গেছে। ইরানের প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো পাহাড়ের নিচে সুরক্ষিত রয়েছে এবং তেহরান সেগুলো পুনর্নির্মাণ করছে। দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ২ হাজার ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, একসাথে নিক্ষেপ করলে যা মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে সক্ষম।

বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানে তুরস্কের এত আগ্রহ কেন?turkiye

লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের জটিলতা
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরেকটি বড় সমস্যা হলো হামলার লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা। ইরানি প্রশাসনের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করা কঠিন না হলেও বর্তমান বিক্ষোভ এবং আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থাপনা চিহ্নিত করা গেলেও জনবহুল এলাকায় হামলার নির্ভুলতা বজায় রাখা সবসময়ই একটি চ্যালেঞ্জ, যেখানে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের স্পষ্ট ঝুঁকি থাকে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি: রয়টার্স
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি: রয়টার্স

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৫৩ সালে ইরানে অভ্যুত্থান ঘটায় আমেরিকা। এই ইতিহাসের কারণে ইরান সরকার যেকোনো মার্কিন হামলাকে সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। বর্তমানে খামেনি সরকার সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় না হলেও তারা দুর্বল নয়; বিশেষ করে গত জুনে ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী হামলার মধ্যেও তারা টিকে গিয়েছিল।

থিংক ট্যাংক ‘রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট’-এর সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট রোকসানে ফারমানফারমাইয়ান দ্য গার্ডিয়ান-কে বলেন, “ইরানে স্পষ্টতই একটি সুসংহত সরকার, সামরিক ও নিরাপত্তা পরিষেবা রয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি খামেনির ওপর হামলার কথা বিবেচনা করতে পারে। তবে অন্য কোনো দেশের নেতাকে হত্যা করা অনেক আইনি প্রশ্ন তুলবে এবং দীর্ঘমেয়াদে সামরিক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেবে। এ ছাড়া এতে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের সম্ভাবনাও কম। কারণ, ইরানি নেতা ইতোমধ্যে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তিনজন জ্যেষ্ঠ আলেমের একটি তালিকা তৈরি করে রেখেছেন।

বিষয়: আমেরিকাহামলাইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাতইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।