Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

হিজবুল্লাহ কী, এদের কাজ কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৩: ৪৬
হিজবুল্লাহ কী, এদের কাজ কী?

হিজবুল্লাহ লেবানভিত্তিক একটি শিয়া মুসলিম রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন। তারা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত।

Advertisement

ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের তথ্য অনুযায়ী, সংগঠনটির মূল লক্ষ্য ইসরায়েলের অস্তিত্বের বিরোধিতা করা এবং ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার করা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলসহ অনেক দেশ হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে দেখে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, হিজবুল্লাহ ১৯৮২ সালে লেবাননের গৃহযুদ্ধ চলাকালীন ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গঠিত হয়। হিজবুল্লাহ একটি আরবি ভাষার শব্দ, যার অর্থ ‘আল্লাহর দল’। শুরুতে তাদের লক্ষ্য ছিল লেবাননে ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠা করা এবং ইসরায়েলকে ধ্বংস করা।

২০০০ সালে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করলে, হিজবুল্লাহ এটিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে প্রচার করে। এসময় দলটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। তবে তারা অস্ত্র সমর্পণ না করে সীমান্ত এলাকায় সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২০০৬ সালে হিজবুল্লাহর হামলায় দুই ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হলে ইসরায়েল ব্যাপক আক্রমণ চালায়। ৩৪ দিনের সেই যুদ্ধে ১ হাজার ১২৫ লেবাননের নাগরিক ও ১৬৪ ইসরায়েলি নিহত হয়। যুদ্ধের পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি রেজুলেশন পাস হয়। যাতে হিজবুল্লাহকে দক্ষিণ লেবানন থেকে সরিয়ে নেওয়া ও নিরস্ত্রীকরণের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু সংগঠনটি তা মানেনি।

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা। ছবি: সংগৃহীত

হিজবুল্লাহর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ছিলেন হাসান নাসরাল্লাহ। গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর হিজবুল্লাহ ইসরায়েল সীমান্তে রকেট হামলা চালায়। ইসরায়েল পাল্টা বিমান হামলা শুরু করে, যা ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে রূপ নেয়।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে ইসরায়েল ঘোষণা দেয় যে, তারা দক্ষিণ লেবাননের সেই এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়, যেখান থেকে হাজার হাজার ইসরায়েলি নাগরিক হিজবুল্লাহর হামলার কারণে ঘরছাড়া হয়েছে। এরপর ইসরায়েল ব্যাপক আকাশ হামলা চালিয়ে স্থল অভিযান শুরু করে।

এই অভিযানে প্রায় ৪ হাজার লেবাননের নাগরিক নিহত হয়, যাদের মধ্যে বহু বেসামরিক নাগরিকও ছিল। অক্টোবর ২০২৩ থেকে নভেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে প্রায় দশ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। ইসরায়েলেরও ৪৫ বেসামরিক ও ৭৫ সৈন্য নিহত হয়েছে বলে জানা যায়। গত বছরের নভেম্বরে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

হাসান নাসরাল্লাহর মৃত্যুর পর সংগঠনের উপপ্রধান নাইম কাসেম নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। ইরান দীর্ঘদিন ধরে হিজবুল্লাহকে অর্থ, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে সবশেষ সংঘাতের আগে হিজবুল্লাহর যোদ্ধার সংখ্যা ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজারের মধ্যে ছিল বলে ধারণা করা হয়। তাদের কাছে প্রায় দুই লাখ রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যার বেশিরভাগই ইরান থেকে সরবরাহ করা। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধে সংগঠনটি ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সেনাপ্রধান জোসেফ আউন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি ঘোষণা দেন যে, ‘রাষ্ট্র ছাড়া অন্য কোনো পক্ষের অস্ত্র ধারণের অধিকার নেই।’ এটি হিজবুল্লাহর প্রতি সরাসরি ইঙ্গিত। নতুন সরকারেও হিজবুল্লাহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

যদিও হিজবুল্লাহ লেবাননের অনেক শিয়া মুসলিমের কাছে এখনও প্রতিরোধের প্রতীক, তবে সাম্প্রতিক সংঘাতে তারা সামরিক ও রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো শান্তি বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব পুনর্গঠন করা।

বিষয়: হামাসফিলিস্তিনলেবাননযুদ্ধইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।