Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

এআই চাকরি কেড়ে নিচ্ছে না, তৈরি করছে নতুন সুযোগ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮: ৪০
এআই চাকরি কেড়ে নিচ্ছে না, তৈরি করছে নতুন সুযোগ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানের ফলে চাকরি হারানোর আশঙ্কা নিয়ে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, এই প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই নতুন ধরনের কর্মসংস্থান তৈরি করছে। বিশেষ করে এআই এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, সেগুলোকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করা এবং তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার মতো কাজে মানুষের চাহিদা বাড়ছে। তা ছাড়া নতুন প্রজন্মের এই কাজগুলোতে এমন কিছু দক্ষতার প্রয়োজন, যা মানুষের স্পর্শ ছাড়া সম্ভব নয়।

Advertisement

আগে ডেটা অ্যানোটেটর বা তথ্য বিশ্লেষণের কাজে সাধারণত স্বল্প মজুরিতে অস্থায়ী লোক নিয়োগ করা হতো। কিন্তু এআই মডেল যত উন্নত হচ্ছে, অর্থনীতি, আইন ও চিকিৎসা শাস্ত্রের মতো বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা এখন প্রশিক্ষণের কাজে যুক্ত হচ্ছেন। বট তৈরির বিশেষজ্ঞ নিয়োগের জন্য ‘মারকোর’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠেছে, যাদের প্রধান নির্বাহী ব্রেন্ডন ফুডির মতে, সেখানে বিশেষজ্ঞরা বর্তমানে ঘণ্টায় গড়ে ৯০ ডলার পর্যন্ত আয় করছেন।

এআই ডিটেক্টরগুলো কীভাবে কাজ করে, কতটুকুই-বা কার্যকর?ai detector

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বটদের প্রশিক্ষণ শেষ হলে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন হয় ‘ফরওয়ার্ড-ডিপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ার’ (এফডিই)। এই ধারণার পথিকৃৎ সফটওয়্যার জায়ান্ট পালান্টির। এই প্রতিষ্ঠানটি তাদের কর্মীদের দুঃসাহসিক কাজের গল্প দিয়ে উদ্বুদ্ধ করে। পালান্টির-এর এক সাবেক এফডিই তার ব্লগপোস্টে লিখেছিলেন যে, শুরুতে মাত্র দুজন কর্মী নিয়ে কান্দাহারের একটি সামরিক ঘাঁটিতে তাদের নামানো হয়েছিল এবং পালো আল্টো সদর দপ্তর থেকে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল জয় করে ফেরার। বাস্তবে এই কাজগুলো মূলত ডেভেলপার, পরামর্শক ও বিক্রয়কর্মীর এক মিশ্র রূপ। তারা ক্লায়েন্টের কর্মস্থলে সরাসরি গিয়ে চাহিদা অনুযায়ী এআই টুল চালু করেন। ইনকিউবেটর ওয়াই কম্বিনেটরের প্রধান গ্যারি ট্যান জানান, তাদের তরুণ কোম্পানিগুলোতে বর্তমানে এফডিই পদের জন্য ৬৩টি চাকরির বিজ্ঞাপন রয়েছে, যা গত বছরে ছিল মাত্র চারটি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
প্রতীকী ছবি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
প্রতীকী ছবি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

এআই এজেন্ট ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে নির্মাতাদের বুঝতে হচ্ছে যে, এই টুলগুলো মানবিক ক্ষেত্রে কেমন আচরণ করছে। উদাহরণস্বরূপ, একজন কাস্টমার-সার্ভিস এজেন্ট তৈরিকারী প্রোগ্রামারকে বুঝতে হবে যে, কেন একজন বিরক্ত গ্রাহক মানুষের সাথে কথা বলার জন্য বারবার ‘শূন্য’ (০) বোতাম চাপেন। স্কিল-ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি কর্নারস্টোন অনডিমান্ডের প্রধান নির্বাহী হিমাংশু পালসুলে ডেভেলপারদের কাজের পরিবর্তন বোঝাতে ওয়েমো রোবোট্যাক্সির উদাহরণ দেন। ওয়েমোর গাড়ি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চললেও গাড়িটি যদি কখনো নষ্ট হয়ে যায় এবং যাত্রীরা ভেতরে আটকে পড়েন, তখন এমন একজন ‘মানব ট্রাবলশুটার’-এর প্রয়োজন হয়, যিনি প্রযুক্তি ও আতঙ্কিত যাত্রী—উভয়কেই সামলাতে জানবেন। পালসুলে মনে করেন, আগে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের শুধু কোডিং দক্ষতার মূল্যায়ন করা হতো, কিন্তু এখন কোড যেহেতু অ্যালগরিদমের সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেখা সম্ভব, তাই মানুষের ব্যক্তিত্ব ও আচরণই এখন আসল সম্পদ।

শিশুরা ‘এআইয়ের দাস’, পড়াশোনার সর্বনাশ?cartoon-ai-robot-scene

এরপর আসে নিয়ম-কানুন ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়। এআই এজেন্টরা যেন কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে, তা দেখার জন্য নিরন্তর মানবনিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। সিস্কোর নেতৃত্বে গঠিত ‘এআই ওয়ার্কফোর্স কনসোর্টিয়াম’ সম্প্রতি উন্নত দেশগুলোর ৫০টি প্রযুক্তিবিষয়ক চাকরি বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, এআই প্রোগ্রামারদের চেয়ে এআই ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞদের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তাদের কাজ হলো বটগুলো যেন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস না করে বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত না করে তা নিশ্চিত করা।

এই সব নতুন ভূমিকাকে সমন্বয় করার জন্য বর্তমানে ‘প্রধান এআই কর্মকর্তা’ পদটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা এখন বোর্ডকে আশ্বস্ত করতে চান যে তারা এই প্রযুক্তিকে গুরুত্বের সাথে নিচ্ছেন। আইবিএম-এর তথ্য অনুযায়ী, একটি বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে ১১টি জেনারেটিভ-এআই মডেল ব্যবহার করে এবং বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে এজেন্ট কেনার চাপে থাকে। সব মিলিয়ে বলা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগতে এখন ‘মানুষ’ ক্রমে একটি অত্যাবশ্যক চাহিদায় পরিণত হচ্ছে।

বিষয়: আশঙ্কাতথ্যপ্রযুক্তিএআইচ্যাটজিপিটিআইনচাকরি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।