Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

জলবায়ু অর্থায়নের নামে ‘ঋণের ফাঁদে’ বাংলাদেশ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৭: ০৭
জলবায়ু অর্থায়নের নামে ‘ঋণের ফাঁদে’ বাংলাদেশ

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চলছে দুই দশকের বেশি সময় ধরে। তবে এখনো সুরাহা হয়নি, কারা আসলে কত টাকা পাবে। এ জন্য জলবায়ু তহবিল হওয়ার কথা। আর সেখান থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাওয়ার কথা ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর।

Advertisement

কিন্তু আদতে কি সেটা হচ্ছে? নাকি যাদের কারণে জলবায়ু বিপর্যয় ঘটছে, তারাই পাচ্ছে সিংহভাগ।

এই টাকা কোথায় যায়? ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর তাতে সংবাদমাধ্যমটির দাবি, জলবায়ু তহবিলের অর্থায়নের নামে ঋণের ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক স্বল্পোন্নত দেশ।

এর বিপরীতে জলবায়ু বিপর্যয়ের জন্য দায়ী চীন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পাচ্ছে বড় অংকের অর্থ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
আওয়াজ তুলতে কপ ৩০ সম্মেলনে আদিবাসী ফ্লোটিলাআন্দিজ

গার্ডিয়ান ও কার্বন ব্রিফের যৌথ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা ধরেছে। জাতিসংঘে জমা দেওয়া অপ্রকাশিত এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য প্রতিশ্রুত বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের তহবিলের একটি বড় অংশ চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের মতো তেল সমৃদ্ধ দেশের কাছে যাচ্ছে।

২০২১ এবং ২০২২ সালের ২০ হাজারের বেশি বৈশ্বিক প্রকল্পের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, দূষণকারী ধনী দেশগুলো থেকে দুর্বল দেশগুলোতে মূলধন স্থানান্তরের একটি ব্যবস্থা দেখা গেছে। তবে তহবিল বিতরণে কোনো কেন্দ্রীয় তদারকি না থাকায় তা রাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই দুই বছরে জলবায়ু অর্থায়নের একক বৃহত্তম প্রাপক ছিল ভারত, যারা প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন পেয়েছে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার।

জীবাশ্ম জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও সংযুক্ত আরব আমিরাত জাপান থেকে জলবায়ু অর্থায়ন হিসেবে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ পেয়েছে। শীর্ষ ১০ কার্বন নিঃসরণকারীর মধ্যে অন্যতম সৌদি আরব জাপান থেকে ঋণ পেয়েছে প্রায় ৩২৮ মিলিয়ন ডলার ।

বিশ্বের ৪৪টি দরিদ্রতম দেশ, যাদের স্বল্পোন্নত দেশ বলা হয়, তারা ২০২১ এবং ২০২২ সালে মোট তহবিলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (৩৩ বিলিয়ন ডলার) পেয়েছে। তবে, এই অর্থের বেশিরভাগই অনুদান নয়, বরং ঋণ আকারে।

অনেক স্বল্পোন্নত দেশ তাদের জলবায়ু অর্থের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি পেয়েছে ঋণের আকারে, যা পরিশোধের শর্ত তাদের আরও ঋণের ফাঁদে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশ এবং অ্যাঙ্গোলার ক্ষেত্রে এই ধরনের ঋণের পরিমাণ ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি।

একই সময়ে স্বল্পোন্নত দেশগুলো তাদের জলবায়ু অর্থায়নের বাজেটের তিন গুণ বাহ্যিক ঋণ পরিশোধ করেছে, যা ঋণের বোঝা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। এর পরিমাণ প্রায় ৯১.৩ বিলিয়ন ডলার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু অর্থায়নের প্রবাহ বাড়লেও সবচেয়ে দরিদ্র ও দুর্বলদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পৌঁছচ্ছে না।

ন্যাচারাল রিসোর্সেস ডিফেন্স কাউন্সিলের জলবায়ু অর্থায়ন বিষয়ক আইনজীবী জো থওয়েটস বলেন, “এটি কোনো দাতব্য কাজ নয়। এটি একটি কৌশলগত বিনিয়োগ, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দেখা অনেক সংকটের মূল কারণগুলোকে মোকাবিলা করে।”

নদী ভাঙনে কতটা বিপদে উত্তরবঙ্গের মানুষriver-erosion1

এ ছাড়া ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের সারাহ কোলব্র্যান্ডার জাতিসংঘের উন্নয়ন বিভাগগুলোর পুরনো শ্রেণীবিভাগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের রিতু ভারদ্বাজ গার্ডিয়ানকে বলছেন, “জলবায়ু অর্থায়নের গোপন গল্পটি প্রতিশ্রুতির পরিমাণে নয়, বরং তাদের ধরণে নিহিত। জলবায়ু অর্থায়ন দরিদ্র দেশগুলোর ওপর আর্থিক বোঝা বাড়িয়ে তুলছে।”

এ ব্যাপারে জাপান, সৌদি আরব, চীন ও আরব আমিরাতের সরকারের কাছে জানতে চাইলে তাদের কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পায়নি গার্ডিয়ান।

বিষয়: সৌদি আরববাংলাদেশজলবায়ু পরিবর্তনজাতিসংঘবন্যাজলবায়ুঋণআরব আমিরাতচীন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।