
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, যার বলি হচ্ছেন সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সর্বশেষ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরায় ড্রোন ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক বাংলাদেশির মৃত্যুতে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬-এ।

আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও সময়ের পার্থক্য বিবেচনা করলে, যদি সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৭ মে ঈদুল আজহা পালিত হয়, তবে বাংলাদেশে ২৮ মে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

হেনরি কিসিঞ্জার একবার বলেছিলেন, “আমেরিকার শত্রু হওয়া বিপজ্জনক হতে পারে, কিন্তু বন্ধু হওয়া সর্বনাশ।” বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি কি সেই সত্যকেই বারবার প্রমাণ করছে? ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের এই আবহে কেন সৌদি আরব বা কুয়েতের মতো দেশগুলো এখন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি নিয়ে দ্বিধায়?

ফুজাইরাহ মিডিয়া অফিস জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ড্রোন ভূপাতিত করার সময় তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, কোনো প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে অথবা টানা ১৮০ দিনের বেশি দেশের বাইরে অবস্থান করলে পুনরায় প্রবেশের জন্য নতুন এন্ট্রি পারমিট নিতে হয়। তবে সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা সেই বাধ্যবাধকতা ছাড়াই দেশে ফিরতে পারবেন।

ইরান বনাম ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান আঞ্চলিক যুদ্ধের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোতে। আজ শুক্রবার সকালে ওমানের সোহার প্রদেশে ড্রোন হামলায় দুই বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।

আলোচনায় সব ব্যাপারে ছাড় দেওয়ার পরেও হামলা হওয়ায় ইরান আমেরিকার সাথে কথা বলতে রাজি নয়। বরং প্রধান ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনির হত্যার পর ইরান আগের চেয়েও অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ। শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনা।

আল জাজিরার বিশ্লেষণ
ইসলামাবাদের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি হবে যদি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইতোমধ্যে সৌদি ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, ইরানের হামলা “রেড লাইন অতিক্রম করেছে।”

রয়টার্সের বিশ্লেষণ
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে আঘাত হানার মাধ্যমে তেহরান অনিচ্ছাকৃতভাবে এসব দেশকে ওয়াশিংটনের আরও ঘনিষ্ঠ অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের পথ তৈরি করছে।

ইরানে ব্যাপক হা মলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। হামলার প্রথম দিনই নিহ ত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। নিহ ত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হাম লা শুরু করেছে। এই সং ঘাত ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আঞ্চলিক সং ঘাতে রূপ নিতে চলেছে।

ইরানে হামলার সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেও অনেক কিছুই ভাবাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ইরান আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত। ফলে সবকিছু ভেনেজুয়েলার মতো হবে, এটা মানা কঠিন হয়ে পড়েছে মার্কিন কর্মকর্তাদের।

দেশটির সরকার এই ঘটনাকে বড় ধরনের উসকানি হিসেবে দেখছে। এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, “এই উত্তেজনার বিপরীতে পূর্ণাঙ্গ জবাব দেওয়ার অধিকার রাখে আরব আমিরাত।”

নথিপত্র অনুযায়ী, সেই রাতেই এপস্টাইন তার এক পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি বার্তা পান, যার নাম গোপন রাখা হয়েছে। ওই বার্তায় বলা হয়, মোহাম্মদ বিন জায়েদ একটি ‘জরুরি’ বৈঠকের অনুরোধ করেছেন, এবং পরদিন সকালে সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ বা সোনার রাস্তা নির্মিত হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে গোল্ড ডিস্ট্রিক্ট উদ্বোধনের সময় এই চমকপ্রদ ঘোষণাটি দেয় আবাসন ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ইথরা দুবাই’।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের গোল্ড ডিস্ট্রিক্টে বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ বা সোনার রাস্তা নির্মিত হতে যাচ্ছে। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে গোল্ড ডিস্ট্রিক্ট উদ্বোধনের সময় এই চমকপ্রদ ঘোষণাটি দেয় আবাসন ও বাণিজ্যিক উন্নয়ন সংস্থা ‘ইথরা দুবাই’।