Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

কিচেন কেবিনেট: ড. ইউনূসকে সামনে ঠেলে দায় সারছে সবাই?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৬, ২১: ৪৬
কিচেন কেবিনেট: ড. ইউনূসকে সামনে ঠেলে দায় সারছে সবাই?

কিচেন কেবিনেট নিয়ে নতুন করে মুখ খুললেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। ফলে কিচেন কেবিনেট নিয়ে আলোচনার পালে আবার লেগেছে জোর হাওয়া।

Advertisement

মূলত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. তৌহিদ হোসেন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই কিচেন কেবিনেট নিয়ে কথা বলেন।

গত মাসের শেষদিকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনায় সাত সদস্যের একটি কিচেন কেবিনেট সক্রিয় ছিল। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো সেখান থেকেই আসত।”

এ নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হলে আরেক সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে কথা বলেন। সেখানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ ছিল বলে উল্লেখ করেন আসিফ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
নতুন রাজনৈতিক রূপরেখা দিলেন মাহফুজ আলমmahfuz-alom

গত ২৬ মে বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেন, “কিচেন কেবিনেট ছিল। কিন্তু আমি সেটার সদস্য ছিলাম না।”

অবশ্য এ নিয়ে আলোচনাটি অনেক আগের। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় থেকেই এ নিয়ে আলোচনা ছিল। তবে সে সময় সরকারের কোনো দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এ নিয়ে কেউ মুখ খোলেনি।

উপদেষ্টাদের কেউ আমাকে ডাকেওনি। আমার সঙ্গে কনসাল্ট করার প্রয়োজনও মনে করেনি। সেখানে কী হতো আমি জানি না। হয়তো ওই মনোভাবের লোক আমি ছিলাম না। আমি তাদের সাথে একমত হতে পারতাম না–তারা ধরে নিয়েছে। যারা এই কাজ করেছে তারা চিহ্নিত। আমি শুধু নাম শুনেছি। তারা আমার কলিগ ছিলেন।

কিন্তু অনেক আগে থেকেই সরকারের ভেতরের শক্তিশালী একটি অংশের কথা শোনা যাচ্ছিল। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে নানা জায়গায় আলোচনা চললেও বিষয়টি নিয়ে কেউ মুখ খুলছিল না।

তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর থেকে একটু একটু করে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতে থাকে। এ নিয়ে প্রথম মুখ খোলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

মাহফুজ আলম, ড. ইউনূস ও আসিফ মাহমুদ। ফাইল ছবি
মাহফুজ আলম, ড. ইউনূস ও আসিফ মাহমুদ। ফাইল ছবি

জাতীয় দৈনিক মানবজমিনকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ড. ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল, যার সদস্য তিনি ছিলেন না। সেখানে কী আলোচনা হতো, সে সম্পর্কে তাদের জানানো হতো না। সদস্যরা ছিলেন ইউনূসের নিকটজন।

সাখাওয়াত বলেন, “এসব আলোচনার মধ্যেও আমি থাকিনি। আমাকে রাখাও হয়নি।” পরে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “উপদেষ্টাদের কেউ আমাকে ডাকেওনি। আমার সঙ্গে কনসাল্ট করার প্রয়োজনও মনে করেনি। সেখানে কী হতো আমি জানি না। হয়তো ওই মনোভাবের লোক আমি ছিলাম না। আমি তাদের সাথে একমত হতে পারতাম না–তারা ধরে নিয়েছে। যারা এই কাজ করেছে তারা চিহ্নিত। আমি শুধু নাম শুনেছি। তারা আমার কলিগ ছিলেন।”

বলে রাখা ভালো–রাষ্ট্র বা সরকার পরিচালনায় কিচেন কেবিনেট বলতে আনুষ্ঠানিক কোনো ফোরাম নেই। এই শব্দবন্ধ দিয়ে কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের কিছু বিশ্বস্ত সহকর্মীকে নিয়ে গঠিত একটি গোষ্ঠীকে বোঝায়, যাদের সঙ্গে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ও সিদ্ধান্ত নেন।

সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের ৩ অধ্যাদেশ বাতিলHigh-court

আগেই বলা হয়েছে সম্প্রতি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের এক সাক্ষাৎকারের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি ওই সাক্ষাৎকারে জানান, কিচেন কেবিনেটের এই উপদেষ্টারা প্রতি মঙ্গলবার সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনায় বৈঠকে বসতেন। এদের হস্তক্ষেপ ও মন্ত্রণালয়ের কাজে প্রভাব বিস্তারের কারণে তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

লীগ সেদিনই ব্যাক করেছিল, যেদিন অন্তরীণ সরকার পলিটিক্যাল থেকে আমলাতান্ত্রিক হলো এবং আমলানির্ভর কিচেন ক্যাবিনেট থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু হলো। যে কিচেন ক্যাবিনেটের অধিকাংশ লোকই ছিল জামাত-বিএনপি বা লীগের ছুপা দালাল

এদিকে আরেক সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমও এই কিচেন কেবিনেটের কথা উল্লেখ করে পোস্ট দিয়েছেন। বলে রাখা ভালো, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ড. ইউনূস এই মাহফুজ আলমকেই জুলাই আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

three cheif with yunus
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক। ছবি: বাসস

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে গত ১৯ মে দেওয়া পোস্টে সেই মাহফুজ আলমই লিখেছেন, “লীগ সেদিনই ব্যাক করেছিল, যেদিন অন্তরীণ সরকার পলিটিক্যাল থেকে আমলাতান্ত্রিক হলো এবং আমলানির্ভর কিচেন ক্যাবিনেট থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু হলো। যে কিচেন ক্যাবিনেটের অধিকাংশ লোকই ছিল জামাত-বিএনপি বা লীগের ছুপা দালাল।”

শুরুতেই বলা হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেন এক সাক্ষাৎকারে প্রথম ‘কিচেন কেবিনেটের’ কথা বলেছিলেন। এ নিয়ে তোলপাড় শুরুর পর, মুখ খুলতে শুরু করেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা।

গত মার্চে এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চরচাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউনূস সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “প্রথম কথা হলো–কিচেন কেবিনেট যেকোনো গণতান্ত্রিক সরকারেই সিদ্ধ একটা প্রথা। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কেবিনেটের বাইরে ওখানে নেওয়া হতো–বিষয়টা তা না। আপনি যেকোনো একটা বিষয়ে আলোচনা করবেন, আমাদের কতজন ছিল–২০/২২ জন, আপনি সবাইকে ডেকে সিদ্ধান্ত নেবেন, তা তো হয় না। আমাদের মধ্যে সকলে এক রকম রাজনীতি বুঝত না। সকলের রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে যোগাযোগ ছিল না। আমার যেমন কোনো যোগাযোগই ছিল না। সাখাওয়াত সাহেব কিন্তু এটা বলতে পারেন নাই যে, কিচেন কেবিনেটে কারা ছিল? তিনি কিছু স্মল মিটিংকে রেফার করেছেন। উনি এটাও বলতে পারেন নাই যে, কোন সিদ্ধান্তগুলো কেবিনেটের বাইরে হয়েছে।”

তৌহিদ হোসেন, ব্রিগেডিয়ার সখাওয়াত–সবার বক্তব্য থেকে এই কিচেন কেবিনেটের আকার সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। আর তা হলো–৭ জন। কিন্তু কোন সাতজন–তা এখনো অজানা।

কিচেন কেবিনেটের সেই ৭ জন নেই আগের ভূমিকায়, কিন্তু তাদের প্রভাব কি রয়ে গেছে। বিশেষ করে খলিলুর রহমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর এ প্রশ্ন ভীষণভাবেই বাস্তব।

বিষয়: আসিফ মাহমুদসোশ্যাল মিডিয়ানিরাপত্তাবাংলাদেশের রাজনীতিসামাজিকমাহফুজ আলমড. মুহাম্মদ ইউনূসসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমফেসবুকরাজনীতিঅন্তর্বর্তীকালীন সরকারঅন্তর্বর্তী সরকার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।

  • ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ক্রিকেটীয় পরিভাষায় ‘ব্রেইন ফেড’ খুবই পরিচিত একটি শব্দ। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে যারা সম্যক পরিচিত, তাদের কাছে ২০১৯ বিশ্বকাপে মুশফিকুর রহিমের সেই রানআউট মিস ছিল তেমনই এক ঘটনা।