Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

আয়াতুল্লাহ খামেনির কথাই সত্য হলো?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ১১: ১৭
আয়াতুল্লাহ খামেনির কথাই সত্য হলো?

বহু নাটকীয়তা, রক্তক্ষয়ী সংঘাত আর ভূ-রাজনীতির নানা সমীকরণ পেরিয়ে যুদ্ধ বন্ধে অবশেষে স্বাক্ষরিত হলো ইরান-আমেরিকা সমঝোতা স্মারক। আজ বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইলেকট্রনিকভাবে এই স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

Advertisement

এ ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্প যখন চুক্তিতে সই করছিলেন, তখন মাখোঁ পাশে দাঁড়িয়ে তালি দিচ্ছিলেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ফ্রান্সে চলমান জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকেই এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া
ছবি: এক্স থেকে নেওয়া

সমঝোতা স্মারক সই করার ট্রাম্প বলেন, “এটা সহজ ছিল না — এটুকু আমি আপনাদের বলতে পারি।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ এখন পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় ভুলের এক উদাহরণ হয়ে থাকবে। এ যুদ্ধের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভবিষ্যতে শত্রুদের দমানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে। এই সমঝোতা স্মারকে দিনশেষে ইরান যথেষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এতে লেবাননসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের সবকটি ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স
হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক করা হবে এবং ইরানের বন্দরগুলো থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।

এছাড়া ইরানের ওপর থেকে আমেরিকার সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে, তাদের আটকে থাকা তহবিল ফেরত দেওয়া হবে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের অর্থনীতি সচল করতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল সহায়তার পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।

এর বিপরীতে ইরান তাদের আগের অবস্থান বজায় রেখে স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কোনো পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না।

যদি কিছুটা পেছনে ফিরে তাকানো যায়, তবে দেখা যাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারির চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথবাহিনী যখন ইরানে একযোগে হামলা শুরু করে, তখন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছিলেন, এই অভিযানের একমাত্র লক্ষ্য ইরানের আয়াতুল্লাহের শাসনের হুমকি চিরতরে মুছে দেওয়া। তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানি কূটনীতিকদের আলোচনা স্রেফ ‘সময়ক্ষেপণের প্রতারণা।’

কিন্তু ১৫ সপ্তাহ পর বাস্তবতার চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। চুক্তির পথে বাধা হওয়ায় নিজের ঘনিষ্ঠ মিত্র নেতানিয়াহুকে খোদ ট্রাম্পই গণমাধ্যমের সামনে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বলে ভর্ৎসনা করেছেন। ফলে আয়াতুল্লাহ শাসন গুঁড়িয়ে দেওয়ার নেতানিয়াহুর স্বপ্ন যেন কর্পূরের মতো উড়ে গেছে।

ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলা। ছবি: রয়টার্স
ইরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলা। ছবি: রয়টার্স

২৮ ফেব্রুয়ারির ইসরায়েল-আমেরিকার ভয়াবহ বিমান হামলায় তেহরানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হন। অভ্যন্তরীণ মুদ্রাস্ফীতি ও রাজনৈতিক জটিলতার মাঝেই খামেনির শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া চলছে, যা আগামী ৪ থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে মৃত্যুর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে জেনারেল কাসেম সোলাইমানির শাহাদাত বার্ষিকীতে দেওয়া আয়াতুল্লাহ খামেনির একটি ভাষণ এখন নতুন করে আলোচনায় আসছে। সেদিন তিনি ট্রাম্পের নীতিকে মিথ্যা ও ফাঁকা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি আখ্যা দিয়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। খামেনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন, ‘‘শত্রু কখনো বসে থাকবে না, তারা প্রতিটা সুযোগের অপব্যবহার করতে চাইবে। কিন্তু আমরা আল্লাহর ওপর ভরসা রাখি। আমরা শত্রুর সামনে কখনো মাথা নত করব না এবং আল্লাহর রহমতে, আমরা শত্রুকে হাঁটু গেঁড়ে বসতে বাধ্য করবই।’’

আমেরিকা-ইসরায়েল জোটের সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ৪ মাসের মাথায় ওয়াশিংটনের আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত যেন প্রয়াত এই নেতার সেই ভবিষ্যৎবাণীকেই সত্য প্রমাণিত করল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স, গার্ডিয়ান, খামেনি ডট আইআর

বিষয়: আমেরিকাহামলাইরানযুদ্ধইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ