Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ৩৯
হরমুজের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান?
হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের অন্যতম প্রধান বিষয়। গত কয়েক মাস ধরে দুই দেশই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করে আসছে।

Advertisement

তাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি ও অনিশ্চয়তা।

তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে, এই মুহূর্তে পাওয়া তথ্য কিছুটা পরিষ্কার।

নৌবাহিনী দিয়ে হরমুজ প্রণালিতে টহল দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্যদিকে, ইরান তার নিয়ন্ত্রণের একটি বড় অংশ হারাচ্ছে।

জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা ৮০ শতাংশের বেশি জাহাজ ওমানের পথ ব্যবহার করেছে।

এই নৌপথটি জাতিসংঘ অনুমোদিত। তবে ইরান এই পথ ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করে।

ইরান হরমুজ প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করে আসছে।

ওমানের উত্তর উপকূল দিয়ে প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করা কয়েক ডজন জাহাজে দেশটি হামলাও চালিয়েছে। এরপরও বেশিরভাগ জাহাজ ইরানের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রণালি পার হচ্ছে।

এসব জাহাজকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। কেপলারের অপরিশোধিত তেল বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান হোমায়ুন ফালাকশাহী বলেন, “পরিস্থিতি দেখে ক্রমেই মনে হচ্ছে, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরান অন্তত আংশিকভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ, এখন কী হবেUS-iran

নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন

এক মাস আগের পরিস্থিতি ছিল একেবারেই ভিন্ন। তখন কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ওমানের পথ দিয়ে প্রায় কোনো জাহাজই চলাচল করছিল না।

এখন ইরানের পছন্দের পথে জাহাজ চলাচল অনেক কমে গেছে। ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোর কাছ থেকে টোল আদায় করতে পারছে না ইরান।

তবে কিছু দিন আগ পর্যন্ত অবশ্য ইরান টোল আদায় করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে থাকা সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ এই সপ্তাহে শেষ হয়েছে।

এর ফলে, তাত্ত্বিকভাবে ইরান আবার জাহাজের কাছ থেকে টোল আদায় শুরু করতে পারে।

তবে কেপলারের তথ্য বলছে, বাস্তবে এখন পর্যন্ত ইরান তা করতে পারেনি।

পিকারিং এনার্জি পার্টনার্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ড্যান পিকারিং বলেন, “ইরানের টোল আদায়ের দাবি মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশই মানতে চায় না এবং মানছেও না। তাই ওমানের পথ ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো।”

লিপো অয়েল অ্যাসোসিয়েটসের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ডি লিপো জানান, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বড় তেলবাহী জাহাজ ভাড়া করেছে।

এসব জাহাজ পারস্য উপসাগর থেকে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে ওমান উপসাগরের তুলনামূলক নিরাপদ এলাকায় যায়। সেখানে তেল অন্য জাহাজে তুলে দেওয়া হয়। এরপর এসব জাহাজ তেল নিয়ে ক্রেতাদের কাছে যায়।

হরমুজকে ‘নিজ ভূখণ্ড’ দাবি করে ট্রাম্পের নতুন মানচিত্র প্রকাশMAp

ইরানের হামলা এড়াতে এসব জাহাজের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখা হচ্ছে। অনেক সময় কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত তা বন্ধ থাকে। ফলে ‘ডার্ক ট্রাফিক’ নামে পরিচিত এসব জাহাজের চলাচল কেপলারের মতো জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নজরেও সবসময় আসে না।

স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কিছু জাহাজ শনাক্ত করা গেলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে এগুলোর গতিবিধি অনুসরণ করা কঠিন।

তবে হরমুজ প্রণালিতে বড় সামরিক উপস্থিতি থাকায় যুক্তরাষ্ট্র সেখানে চলাচল করা জাহাজগুলোর ওপর নজর রাখছে।

দেশটির হিসাব অনুযায়ী, প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনের পরিমাণ প্রচলিত আগের হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি।

জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট গত সপ্তাহে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে এবং পথটি এড়িয়ে অন্য পথে—দুইভাবে মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে।

যুদ্ধের আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন হতো। অর্থাৎ এখনকার পরিমাণ যুদ্ধের আগের গড়ের তুলনায় খুব বেশি কম নয়।

হরমুজকে আর কত দিন ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে ইরান?hormuz

স্বচ্ছতার অভাব

তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসলে কত জাহাজ ও কত পরিমাণ তেল যাচ্ছে, তা নিয়ে পুরোপুরি পরিষ্কার তথ্য পাওয়া কঠিন। কারণ অনেক তেলবাহী জাহাজ ইরানের হামলা এড়াতে তাদের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখছে। ফলে এসব জাহাজের অবস্থান ও চলাচলের তথ্য সবসময় প্রচলিত ট্র্যাকিং ব্যবস্থায় ধরা পড়ছে না।

এ কারণে হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহনের প্রকৃত চিত্র নিয়ে বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নজরদারি এবং বিভিন্ন উৎসের তথ্য মিলিয়ে যে চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে- ইরানের নিয়ন্ত্রণ আগের তুলনায় কমেছে এবং জাহাজ চলাচলে ওমানের পথের গুরুত্ব বেড়েছে।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রজলপথজাতিসংঘইরানহরমুজ প্রণালি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ