Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি আমেরিকার জন্য ভালো না খারাপ?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮: ৫৭
ট্রাম্পের ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি আমেরিকার জন্য ভালো না খারাপ?

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক দর্শনে ‘গায়ের জোরই সব’—এই নীতি আমেরিকার জন্য শেষ পর্যন্ত আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক ভেনেজুয়েলা অভিযান এই প্রশ্নকে আরও ঘনীভূত করেছে।

Advertisement

ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিকোলাস মাদুরোর ১২ বছরের শাসনামলে ভেনেজুয়েলা এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে। নির্বাচনে কারচুপি, বিরোধী দমনে চরম নৃশংসতা এবং ব্যাপক দুর্নীতির ফলে দেশটির জিডিপি প্রায় ৬৯% হ্রাস পায়। জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়, যা কোনো গৃহযুদ্ধের চেয়েও ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় তৈরি করেছিল। এছাড়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাদুরোর মাদকচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, হিজবুল্লাহকে সমর্থন এবং ইরান-রাশিয়া-চীনকে মার্কিন উপকূলে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দেওয়া ওয়াশিংটনের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ ছিল।

এই প্রেক্ষাপটেই ৩ জানুয়ারি মার্কিন বিশেষ বাহিনী এক ঝটিকা অভিযানে মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে। তিন ঘণ্টারও কম সময়ের এই অভিযানে মার্কিন সামরিক শক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হলেও, এর পেছনে ট্রাম্পের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। সাবেক প্রেসিডেন্টদের মতো গণতন্ত্র বা মানবাধিকারের দোহাই না দিয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, তার লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার তেল দখল এবং পশ্চিম গোলার্ধে নিরঙ্কুশ মার্কিন আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ছবি: রয়টার্স
ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ছবি: রয়টার্স

মাদুরোকে নিউইয়র্কের আদালতে মাদক মামলায় হাজির করা আমেরিকার প্রতিপক্ষদের জন্য একটি কড়া সতর্কবার্তা। তবে এই সামরিক সাফল্যই সব নয়। মাদুরো ব্যক্তিগতভাবে অপসারিত হলেও তার রেখে যাওয়া দমনমূলক শাসনযন্ত্র এবং মিলিশিয়া গ্রুপগুলো এখনো সক্রিয়। ফলে দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষকেও একই পরিণতির হুমকি দিয়ে রেখেছেন, যা স্থিতিশীলতার পরিবর্তে অস্থিরতাই বেশি উসকে দিচ্ছে।

ট্রাম্পের এই নীতিকে এখন ‘ডনরো মতবাদ’ বলা হচ্ছে, যেখানে আদর্শের চেয়ে শক্তি এবং প্রাকৃতিক সম্পদকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ভেনেজুয়েলার নোবেলজয়ী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে ট্রাম্প গুরুত্ব দিচ্ছেন না, কারণ তার হাতে সামরিক নিয়ন্ত্রণ নেই। ট্রাম্পের মূল দৃষ্টি ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল ভাণ্ডারের দিকে। তিনি দ্রুত বিপুল পরিমাণ তেল আহরণের স্বপ্ন দেখালেও দেশটির বিধ্বস্ত অবকাঠামো এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বড় বিনিয়োগকারীরা সেখানে কতটা আগ্রহী হবেন, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

ভেনেজুয়েলার নোবেলজয়ী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ছবি: রয়টার্স
ভেনেজুয়েলার নোবেলজয়ী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ছবি: রয়টার্স

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতি মার্কিন জোটগুলোকে দুর্বল করে দিচ্ছে। গ্রিনল্যান্ড দখল বা ন্যাটো মিত্রদের প্রতি তার আক্রমণাত্মক মনোভাব মিত্র দেশগুলোর মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মিত্ররা এখন আমেরিকাকে অংশীদারের বদলে এক আগ্রাসী শক্তি হিসেবে দেখতে শুরু করতে পারে।

একইসাথে, ছোট দেশগুলো ট্রাম্পের এই ‘দাদাগিরি’ থেকে বাঁচতে নীরবে চীন বা রাশিয়ার মতো শক্তির দিকে ঝুঁকতে পারে। ট্রাম্প হয়তো মনে করছেন শক্তিশালী দেশগুলো নিজের প্রভাববলয় শাসন করবে, কিন্তু এই সীমানা নির্ধারণের লড়াই পৃথিবীকে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত এক উনিশ শতকীয় সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার উদারনীতি, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের সর্বজনীন মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে। ট্রাম্প এই মূল্যবোধগুলোকে ‘বোকামি’ মনে করছেন। ভেনেজুয়েলায় তার এই পেশিশক্তির প্রদর্শন সাময়িক জয় মনে হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি আমেরিকার নৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে বিশ্বজুড়ে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। সময় বলে দেবে, ট্রাম্পের এই দৃষ্টিভঙ্গি আসলে কতটা নির্ভুল ছিল।

বিষয়: রাশিয়াআমেরিকাহামলাইরানডোনাল্ড ট্রাম্পচীনভেনেজুয়েলা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ